বিপিএলের নিলাম পেছালো
প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২৮
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বিতীয় আসরের ক্রিকেটারদের নিলাম হবে ২০ ডিসেম্বর। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর নিলাম হওয়ার কথা ছিল। নিলাম শেষে বিপিএল মাঠে গড়ানোর কথা ১৭ জানুয়ারী থেকে। যদিও কোন কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনো বকেয়া পরিশোধ করেনি।
ক্যারিবীয়দের বিরুদ্ধে সিরিজ শেষে ঘরোয়া ক্রিকেটের জমজমাট আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) জন্য জাতীয় দলের পাশাপাশি ঘরোয়া লিগের খেলোয়াড়রা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। এমনিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সুবাদে বছরটি তুলনামূলক বিচারে সাফল্যের সাথেই শেষ করেছে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। তাই এবারের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচাইতে জৌলুসপূর্ণ টুর্নামেন্টটিতে মুশফিক-সাকিবরা নিজেদের নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন বলে আশা করছে বিপিএল সংশ্লিষ্টরাও।
বিপিএলের গত আসরে ছয়টি দল অংশ নিলেও এবার সপ্তম দল হিসেবে রংপুর বিভাগের যোগ দেয়ার কথা। বিপিএলের ইভেন্ট ম্যানেজম্যান্ট প্রতিষ্ঠান গেম অনের উপর দায়িত্ব পড়েছে বাকি একটি বিভাগের ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগাড় করার। তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো এ ব্যাপারে সফল হয়নি। যদিও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলরের সদস্য সচিব ডা. এইচ আই মল্লিক জানিয়েছেন ‘গেম অন স্পোর্টস’ খুব শীঘ্রই রংপুরের ফ্র্যাঞ্চাইজি যোগাড় করতে সক্ষম হবে।
উল্লেখ্য, প্রথম আসরে বিপিএলে অংশ নিয়েছিল চ্যাম্পিয়ন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস, বরিশাল বার্নার্স চিটাগাং কিংস, খুলনা কিংস, সিলেট রয়েলস ও দুরন্ত রাজশাহী। এবার রংপুর যোগ দিলে মোট টিম হবে সাতটি। তখন ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে যাবে।
জানা গেছে, এবার সারা বাংলাদেশে ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিতে চাইছে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। গতবার শুধু দুটি ভেন্যুতে খেলা হয়েছিল। সেগুলো হলো মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। কিন্তু ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজ চলার কারণে চট্রগ্রামের এই ভেন্যুটির পরিবর্তে চট্রগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে খেলা হবে। বাড়তি হিসেবে ভাবা হচ্ছে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়াম নয়তো খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের কথা।
ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ শেষে খেলোয়াড়রা আপাতত বিশ্রাম পেলেও তাদেরকে বিপিএলের জন্য তৈরি হতে হবে আগামী সপ্তাহ থেকে। তবে খেলোয়াড়দের বকেয়া এখনো পরিশোধ না হওয়ায় বিসিবিও চিন্তিত। বিসিবি থেকে জানা যায়, খেলোয়াড় ও বিপিএল-এর সাথে জড়িত আম্পায়ার ও মাঠ কর্মীদের পাওনা পরিশোধ না হলে ফ্রাঞ্চাইজি বাতিলের মত কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে ক্রিকেট বোর্ড।
গত আসরের অনিয়ম, খেলোয়াড়দের বকেয়া পাওনা পরিশোধ নিয়ে গড়িমসি করে বিপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিরা। তবে এবার বিসিবি শুরু থেকে কঠোর হতে চাইছে। যেমন দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিসিবির বড় ভূমিকা থাকবে বলে ইঙ্গিত দিলেন মল্লিক।
জানা গেছে, কোন কোন ফ্রাঞ্চাইজির সাথে বিসিবির সমঝোতা হলেও এখন পর্যন্ত দুই-একটি দল তাদের বকেয়া পরিশোধ করেনি। তবে বিসিবি’র ‘আল্টিমেটাম’ অনুযায়ী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সকল দেনা পরিশোধ করতে হবে ফ্রাঞ্চাইজিদের।