ভূঞাপুরে আশ্রয় কেন্দ্রের বেহালদশা

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের গাবসারায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আশ্রয় কেন্দ্রটি দীর্ঘ এক যুগেও সংস্কার না হওয়ায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে অনেক পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। সরেজমিনে আশ্রয়কেন্দ্রটি ঘুরে দেখা গেছে, সংস্কারের অভাবে ঘরগুলো জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সামনের রাস্তা ভেঙে গেছে। কোথাও কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। অনেক ঘরের মেঝের মাটি পর্যন্ত নেই। পাড় ভেঙে পুকুর ভরাট হয়ে গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী মহল পুকুরটি দখল করে নিয়েছে। মসজিদ ও বিনোদন কেন্দ্রটিরও ভগ্নদশা। আশ্রয়কেন্দ্রটিতে যে ল্যাট্রিনগুলো রয়েছে তাও ব্যবহারের অযোগ্য। আশ্রয়কেন্দ্রের ১০টি নলকূপের মধ্যে মাত্র ২টি নলকূপ ব্যবহার করা গেলেও বাকি ৮টি নষ্ট। এমনকি সেগুলোর কোন খোঁজও নেই। জানা যায়, উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে ১শ’টি পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ১৯৯৮-১৯৯৯ অর্থ বছরে আশ্রয়কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। আট একর দশ শতাংশ জমির উপর নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রটির মাঝখানে দুই একর জমিতে খনন করা হয় বিশাল আকৃতির পুকুর। ২০০০ সালে গাবসারা ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম থেকে ভাসমান ১০০টি পরিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে পুনর্বাসিত করা হয়। দীর্ঘ ১ যুগেও যথাযথ তদারকি ও সংস্কার না করায় আশ্রয়কেন্দ্রটি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বলেন, বিপুল অঙ্কের টাকা ব্যয়ে নির্মিত আশ্রয়কেন্দ্রটি সংস্কারের অভাবে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ায় অধিকাংশ পরিবারই অন্যত্র চলে গেছে। সংস্কার না হওয়ায় নতুন করে আর কোন পরিবার এখানে আসে না।