অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ
এখন অনেকের রোল মডেল
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৯
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ হয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের মেইন ব্যাটেল ট্যাঙ্ক (এমবিটি-২০০০) এবং উইপন লোকেটিং রাডার এসএলসি-২। তেজগাঁওয়ে আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এই সমরাস্ত্র অন্তর্ভুক্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এই প্রথম নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ও অত্যাধুনিক ট্যাঙ্ক ক্রয় করা হলো। সেনাবাহিনীতে আধুনিক ট্যাংক ও রাডার অন্তর্ভুক্তিকে মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অত্যাধুনিক এ ট্যাঙ্ক অন্তর্ভুক্তির ফলে সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের সামর্থ্য আরো বাড়ল। সমরশক্তি বৃদ্ধি পেল। জাতির জন্য তাই আজ একটি অনন্য দিন।
চীনের তৈরি এই ট্যাঙ্ক একবার জ্বালানি নিয়ে চারশ’ কিলোমিটার যেতে পারে। সাধারণ সড়কে এর সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৬১ কিলোমিটার, ওজন ৪৮ হাজার কিলোগ্রাম। এই ট্যাংকে রয়েছে বিস্ফোরক প্রতিরোধক আর্মার। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এমবিটি-২০০০ থেকে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে গোলা নিক্ষেপ করা যায়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরে বলেন, বিগত ৪ বছরে ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলেই লাভবান হয়েছে। অনেক দেশের কাছে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া ও প্যারেড কমান্ডার লে. কর্নেল শেখ সানি এম তালহা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। শেখ হাসিনা আর্মর ও আর্টিলারি কোরের প্যারেড পরিদর্শন ও পরে প্যারেড কন্টিনজেন্ট কমান্ডারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি যথাক্রমে বেঙ্গল ক্যাভালরি ও ২৯ ডিভিশন লোকেটিং ব্রাটারি আর্টিলারি কমান্ডারদের হাতে এমবিটি-২০০০ ও এসএলসি-২ অন্তর্ভুক্তির স্মারক তুলে দেন। পরে আর এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বিজয় দিবস ২০১২ উপলক্ষে সেনাবাহিনীর ‘বিজয় থেকে বিজয়’ স্মারক তুলে দেয়া হয়।