সুখী ব্যক্তিদের স্ট্রোক, হূদরোগের ঝুঁকি কম
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০১২, ১৮:২৪
হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোক মারাত্মক দুটি ব্যাধি। এর যে কোন একটি ব্যাধি শুধু একজন ব্যক্তি নয়, মুহুর্তে তছনছ করে দিতে পারে একটি পরিবার, একটি অধ্যায়। কে না চায় এই দুটি মারাত্মক ঘাতক ব্যাধি থেকে পরিত্রান পেতে। অনেকে বলেন, ঘুমাতে পারছিনা, অস্থির লাগছে, রক্তচাপ খানিকটা বেড়ে গেছে। সারাদিনের বিরামহীন ক্লান্তি, ক্রমাগত মানসিক চাপ, কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, পারিবারিক সমস্যা নানা কিছু যে কোন মানুষের জন্য সত্যিই সত্যিই একদিন একটা বিপজ্জনক সমস্যায় পরিণত হতে পারে। সমস্যা তৈরী না হলে আমরা অনেকে বিষয়টিকে মোটেও গুরুত্ব দেইনা। অথচ কোন ধরণের অর্থ ব্যয় ছাড়াই আমরা হূদরোগ, হার্ট এ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে নিজেদের কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পারি। বিশেষজ্ঞদের অভিমত: জীবন সংগ্রামের কঠিন যুদ্ধেও যদি থাকে আশাবাদ, সুখ এবং আত্মতৃপ্তি তাহলে হূদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে আনা যায়। বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন, সারাক্ষণ হাসি-খুশি ও আনন্দময় থাকা কোন মেডিসিন নয়, তবে যারা হাসি-খুশিতে থাকেন, সরলতা যাদের গুণ তাদের হার্টের সমস্যা অবশ্যই কম হয়। মানসিক অবসাদ, উদ্ব্বেগ হার্টের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর এটা সকলেই আমরা জানি। বিশেষজ্ঞগণ সুখ, উদ্বেগ, হতাশা এবং হার্ট ডিজিজ সংক্রান্ত দুই শতাধিক গবেষণা পর্যালোচনা করে এই মর্মে সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, অবশ্যই জীবনটাকে সুখে, হাশি-খুশিতে আর আশার মধ্যে রাখতে পারলে এর স্বাস্থ্যকর উপকারিতা অনেক। এক গবেষণায় দেখা যায় যারা দৈনন্দিন জীবনে সুখী, বিশেষ করে যারা কর্মক্ষেত্র, দাম্পত্য জীবন এবং পারিবারিক
জীবনে সুখী তাদের হূদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কম। তবে প্রেম, রোমান্স এবং উন্নত জীবন যাপনে অভ্যস্ত থাকা হূদরোগ প্রতিরোধে কোন ভূমিকা রাখেনা।