জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে উপযুক্ত কৌশল অনুসরণ আবশ্যক

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বলেন, নারী ও পুরুষের মধ্যকার অসম ক্ষমতাভিত্তিক সম্পর্ক জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্য ও সহিংসতার মূল কারণ। তাই এ ধরনের অসম ক্ষমতাভিত্তিক সম্পর্কে পরিবর্তন আনয়নের লক্ষ্যে যথাযথ নীতি ও কৌশল অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনওমেন কর্তৃক নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও নির্মূলের লক্ষ্যে আয়োজিত স্টেকহোল্ডারস ফোরামের প্যানেল চার-এ প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্যদানকালে এসব কথা বলেন। নারীর মর্যাদা সংক্রান্ত কমিশনের সাতান্নতম সেসনের (সিএসডব্লিউ-৫৭) পূর্বাহ্নে এ ফোরামের আয়োজন করা হয়। ড. শিরীন বলেন, প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু ও আদি নৃগোষ্ঠীর নারী এবং কিশোরীদের সুরক্ষার বিষয়ে বিশেষ মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সুদৃঢ়করণ এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে পারস্পরিক সহযোগিতামূলক পরিবেশ সৃষ্টির উপর জোর দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নারী ও শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক প্রথা, নারী ও শিশু পাচার এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত আইনি কাঠামো রয়েছে। জাতীয় সংসদ গণসচেতনতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে নারীর প্রতি সহিংতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মানবাধিকার ও জেন্ডার সমতার বিষয়সমূহ স্কুল পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতিসংঘে জর্জিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধির সভাপতিত্বে উক্ত ফোরামে আরো বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক আদিবাসী নারী ফোরামের প্রেসিডেন্ট মিস্ টারসিলিয়া রিভেরা জিয়া এবং হোয়াইট রিবন ক্যাম্পেইনের নির্বাহী পরিচালক মি. টোড মিনারসন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আবুল মোমেন এতে উপস্থিত ছিলেন। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি