সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার

সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

গত সপ্তাহের শেষদিকে ব্যাংকিং খাতের লেনদেন বেড়ে যাওয়ার প্রভাবে শেয়ারবাজারের সূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়। তবে সাধারণ সূচক বাড়লেও আগের সপ্তাহের তুলনায় কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সাধারণ সূচক বেড়েছে ২২ পয়েন্ট। তবে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম। আর লেনদেন কমেছে ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ডিএসই’র তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসই’র সাধারণ সূচক ছিল ৪ হাজার ৬৬ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৮ পয়েন্টে। অর্থাত্ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ২২ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এদিকে ডিএসইতে ২৮৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ৮৪টির, কমেছে ১৮৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৪টির দাম। কোনো লেনদেন হয়নি ৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছিল মাত্র ২৩টির, কমেছিল ২৫৬টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১টির দাম। কোনো লেনদেন হয়নি ৫টি প্রতিষ্ঠানের। ডিএসইতে গত সপ্তাহের অধিকাংশ কার্যদিবসেই ডিএসই’র সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে ৯৬০ কোটি ৩২ লাখ ৫২ হাজার ২৫৩ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১৫১ কোটি ২৭ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। অর্থাত্ লেনদেন কমেছে ১৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১৯২ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ৪৫১ টাকা। এর আগের সপ্তাহে গড় লেনদেন ছিল ২৩০ কোটি ২৫ লাখ ৫২ হাজার ৮০০ টাকা। এদিকে ডিএসইতে শেয়ার হাত বদলের পরিমাণও কমেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ২৮ কোটি ৬ লাখ ১৫ হাজার ৩২৯টি শেয়ার হাত বদল হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে শেয়ার হাত বদলের পরিমাণ ছিল ৩০ কোটি ৫৪ লাখ ৫৭ হাজার ২৭৮টি। সাপ্তাহিক দাম বাড়ার ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, লিবরা ইনফিউশন, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক, ইউসিবিএল, ওয়ান ব্যাংক এবং স্টান্ডার্ড সিরামিকস। অন্যদিকে সপ্তাহ শেষে দাম কমার ভিত্তিতে ডিএসই’র প্রধান কোম্পানিগুলো হলো- যমুনা অয়েল, সোনালী আঁশ, জুট স্পিনার্স, মিথুন নিটিং, আমরা টেকনোলজি, মালেক স্পিনিং, তাল্লু স্পিনিং, সায়হাম টেক্সটাইল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং জেনারেশন নেক্সট।