গার্মেন্টসের অগ্নিকাণ্ডে সরকারেরও দায় রয়েছে :পর্যটন মন্ত্রী
প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:১৮
তৈরি পোশাক শিল্প কারখানাগুলোতে কিছুদিন পর পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকারেরও দায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী কর্ণেল (অব.) ফারুক খান। তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করেছে। সুতরাং জনগণের রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। তাই এ ধরনের অগ্নিকাণ্ডে সরকার দায় এড়াতে পারে না। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে পরিবেশ সহায়ক এবং দক্ষ উত্পাদন’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশেই কম-বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। আমাদের দেশেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এসবের প্রেক্ষিতে আমাদের করণীয় হচ্ছে এ ধরনের ঘটনা যেন পুনরায় ঘটতে না পারে সেজন্য তত্পর থাকা। তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা লজ্জাজনক ও দুঃখজনক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনা বন্ধে পোশাক শিল্প মালিকদের অনেক বেশি সজাগ থাকতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) এসোসিয়েট অপারেশন অফিসার নওরীন চৌধুরী, গ্রামীণ নিট ওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসান এবং জিআইজেড-এর জ্যেষ্ঠ পরামর্শক এল্কে শ্রেষ্ঠা। বিজিএমইএ সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আইনুন নিশাত, ইন্টারটেকের আঞ্চলিক পরিচালক দিলিপ জিয়ানচানদানি এবং বিজিএমইএ’র সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ইতিমধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। খরা, বন্যা, নদী ভাঙ্গন ও পানি দূষণসহ এসব সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ রেখে যেতে এখনই পরিবেশের দিকে নজর দিতে হবে। বক্তারা বলেন, পরিবেশ সহায়ক পদ্ধতিতে উত্পাদনের জন্য সে ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি ইটিপি (এফপ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট) স্থাপন ও সোলার এনার্জি ব্যবহারের উপর গুরুত্ব প্রদান করতে হবে।