আজ কিশোরগঞ্জ ও ফরিদপুর মুক্ত দিবস
প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:২৪
১৬ ডিসেম্বর দেশবাসী মুক্তির আনন্দে উদ্বেলিত হলেও কিশোরগঞ্জ শহরবাসী সেদিন বিজয়ের স্বাদ অনুভব করতে পারেনি। ১৭ ডিসেম্বর সকালে চতুর্দিক থেকে মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন গ্রুপ শহরে প্রবেশ করার পর তারা শত্রুমুক্ত হয়। ঐদিনই ঘরে ঘরে উত্তোলন করা হয়েছিল স্বাধীন বাংলার পতাকা। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কবীর উদ্দীনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল প্রথম শহরে প্রবেশ করে। এরপর নাজিম উদ্দীন কবীর, মতিয়র রহমান বীর বিক্রম, মহিউদ্দিন, কফিল উদ্দিন, ক্যাপ্টেন হামিদ প্রমুখ মুক্তিযোদ্ধার নেতৃত্বে এবং ক্যাপ্টেন এনসি চৌহানের নেতৃত্বে মিত্রবাহিনীর বিভিন্ন দল চারদিক থেকে শহরে প্রবেশ করার পর রাজাকার-আলবদর বাহিনী তাদের নিকট আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র সমর্পণ করে। কিশোরগঞ্জ শত্রুমুক্ত দিবস পালন উপলক্ষে আজ ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা যুব কমান্ড শহরে র্যালির আয়োজন করেছে। র্যালিতে নেতৃত্ব দেবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক বিজয় অর্জনের ১ দিন পর আজ ১৭ ডিসেম্বর ফরিদপুরের পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। ১৭ ডিসেম্বরেও পাক মিলিশিয়া ও বিহারীদের সাথে মরণপণ যুদ্ধ করেছে ফরিদপুরের মুক্তিযোদ্ধারা। অবশেষে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৫ নম্বর আসামি ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ফরিদপুরের জেলা ইউনিট কমান্ডার নূর মোহাম্মদ ক্যাপ্টেন বাবুল এবং মিত্রবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার রাজেন্দ্র প্রসাদ নাথের নিকট শহরের ময়েজ মঞ্জিলে আত্মসমর্পণ করে। ফরিদপুর জেলা শত্রুমুক্ত হয়।