মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর প্রক্রিয়া সফল হলে তা অন্যত্র প্রয়োগ :প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে দুই দেশের সরকার ছাড়া আর কোন তৃতীয় পক্ষ থাকবে না। সরকারের এ প্রক্রিয়াটি সাফল্যের মুখ দেখলে অন্যান্য দেশেও শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে একই প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হবে। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, কয়েক বছর ধরে বিদেশে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা ঠেকানোর নানামুখী কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে শ্রমিক পাঠানো শুরু হবে। ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ মালয়েশিযার চাহিদা পাঠানোর কথা। মালয়েশিয়া সরকার মাসওয়ারি চাহিদা জানাবে। প্রথমে তারা বনায়ন খাতে এবং পরে অন্যান্য খাতেও শ্রমিক নেবে। তবে, এ শ্রমিক প্রেরণ প্রক্রিয়ায় বায়রা এবং এর এজেন্টদের কোন সংশ্লিষ্টতা থাকবে না। গতকাল সোমবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আজ ১৮ ডিসেম্বর ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০১২’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন প্রবাসীকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খান, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক বেগম শামছুন নাহার প্রমুখ। মন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় লোক পাঠানো একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ। সুষ্ঠুভাবে এ কাজ সম্পাদনে দুই দেশের সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। তাই গুরুত্বের সঙ্গে প্রতিটি দায়িত্ব সম্পন্ন করা হবে। যারা সরকারিভাবে মালয়েশিয়া যাবেন, তারা নিজেদের উদ্যোগে এবং নিজেদের যোগ্যতাতেই যাবেন। আমরা আশা করছি, মালয়েশিয়া যাওয়ার তিন মাসের মধ্যেই শ্রমিক তাদের অভিবাসন ব্যয় উঠিয়ে আনতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে ১৭ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ৩ দিন ব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে গতকাল বিকালে একটি র্যালি বের হয়। এর উদ্বোধন করেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে র্যালি বের হবে। এছাড়া শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৯ ডিসেম্বর সকাল থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দে আছে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান।