আমার প্রিয় বই

আলোক লতা

‘বই পড় জীবন গড়’—এই মহা মূল্যবান বাণীটি আমার অন্তরে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। নতুন বই পেলেই আমি নাক দিয়ে শুঁকে গন্ধ নিই, নতুন বইয়ের গন্ধ আমার খুব পছন্দ। বন্ধুরা, আজ তোমাদের আমার প্রিয় একটি বই সম্পর্কে জানাবো। বইটির নাম-‘আলোক লতা’ (ছোটদের আনন্দ বার্ষিকী ১, ২)। সম্পাদক- হুমায়ূন কবীর ঢালী। বাংলা প্রকাশ থেকে বইটি প্রকাশিত। একজন ছেলে বা মেয়ের বড় হওয়ার জন্য যা কিছু জেনে বড় হওয়া উচিত তার অধিকাংশ তথ্যই আছে এই আলোক লতা নামক সংকলনটিতে। আলোক লতার বিষয়সূচি হলো: বিজ্ঞান কল্পকাহিনী, মুক্তগদ্য, প্রবন্ধ-নিবন্ধ, উপন্যাস, গল্প, স্মৃতিগদ্য, অনুবাদ/ রূপান্তর, ফিচার, প্রতিবেদন, নাটক, ভ্রমণ, ইতিহাস, ছড়া, গোয়েন্দা গল্প, কবিতা, পুনর্লেখন, শিকার কাহিনী। সেইসঙ্গে পাবে অনেক মজার কৌতুক ও রূপকথা/ উপকথা, মজার গল্প। সব লেখাই ছোট-বড়ো সকলের জন্য উপভোগ্য এবং শিক্ষণীয়। আশা করছি, তোমরা অনেকেই এই বার্ষিকীটি পড়েছ, যারা পড়োনি তাদের খুব শিগগিরই ‘আলোক লতা’ পড়তে অনুরোধ করছি। সত্যি বলছি বইটি সবার ভালো লাগবে। বই মানুষের মাঝে তৈরি করে দিয়েছে অতীত ও ভবিষ্যতের মাঝে সেতুবন্ধন। পৃথিবীর সকল বই জ্ঞানের ভাণ্ডার। কোন বই অবহেলার নয়, সব শেষে বলতে চাই— ‘বই কিনে কেউ ঠকে না’। সবার জন্য রইলো আমার শুভ কামনা। আর আরেকটা কথা না বললেই নয়, ইত্তেফাক পত্রিকার কচি-কাঁচার আসরকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। কারণ আমাদের প্রিয় বই সম্পর্কে কিছু বলার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। কাজী রিচি ইসলাম, মিরপুর, ঢাকা।