তরুণ ফুটবলারদের সচেতন করবে বাফুফে

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ২০২২ কাতার ফুটবলকে লক্ষ্য রেখে এগিয়ে যেতে চায়। বিশ্বকাপ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশ খেলবে এমন কথা বলেনি। তবে একটা লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে না গেলে কোনো দিনই সামনের পথে যাওয়া যাবে না। আর এজন্য কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলকে মূলমন্ত্র ধরে নিয়ে এখন থেকে কাজ শুরু করছে ফেডারেশন। এর জন্য সারা দেশের তরুণ ফুটবলারদের ভেতরে সচেতনতা সৃষ্টি করতে চায় বাফুফে। তরুণ ফুটবলার, যারা আগামী প্রজন্মের তাদের ভেতরেই বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বপ্নের বীজ বুনে দিতে চান বাফুফের সভাপতি কাজী মোঃ সালাহউদ্দিন। বর্তমান ফুটবলারদের দিয়ে বিশ্বকাপের পাহাড় সমান দেয়াল স্পর্শ করা যাবে না। কঠিন পথে এগিয়ে যেতে হলে ফুটবলের জন্য চাই নতুন রক্ত। এর জন্য তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভার সন্ধান করতে যা কিছু করা প্রয়োজন তাই করবে বাফুফে—জানিয়েছেন কাজী সালাহউদ্দিন। তিনি বলেছেন, সারা দেশের ফুটবল উন্নয়ন করতে হবে। ফুটবল উন্নয়নের অংশিদার হিসাবে প্রাইম ব্যাংককে সাথে নেয়া হয়েছে। প্রাইম ব্যাংকও বাফুফের পরিকল্পনার সাথে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গিকার করেছে। ব্যাংককের নীতি নির্ধারকরাও ভিশন ২০২২ বাস্তবায়নের জন্য পাশে থাকবেন বলেছেন। বাফুফের তৃণমূল পর্যায়ে চলে যেতে চায়। এর জন্য বাফুফের প্রথম পদক্ষেপ হবে জেলা ফুটবলকে চাঙ্গা করা। তরুণদেরকে ফুটবল খেলায় উত্সাহ দেয়া, সচেতন করা। জেলা ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়নরা খেলবেন বিভাগীয় পর্যায়ে। সেখান থেকে সাত বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন এবং ঢাকার সিনিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন দল নিয়ে আট দল চূড়ান্ত পর্ব হবে ঢাকায়। এই খেলাগুলো পুরো দেশজুড়ে উন্মাদনা সৃষ্টি করবে। এমন বিশ্বাস বাফুফের। এই টুর্নামেন্ট এবং জেলা ফুটবল লিগ হবে প্রাইম ব্যাংকের নামে। এরই মধ্যে বেশ কিছু জেলায় ফুটবল লিগ হয়েছে। শুরু না হওয়া লিগগুলো জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়ানোর পরামর্শ রয়েছে বাফুফের। সভাপতি সালাহউদ্দিন জানিয়েছেন জানুয়ারি থেকে জেলা ফুটবলের জন্য মৌসুম শুরু হবে। জেলা ফুটবলাররা ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে খেলার সুযোগ পাবেন। খেলোয়াড় বাছাই করা হবে ফুটবল একাডেমির জন্য। প্রাইম ব্যাংকের সাথে তিন কোটি টাকার চুক্তি হয়েলে ফুটবল উন্নয়নের জন্য প্রচুর অর্থ প্রয়োজন বাফুফের। তবে বাফুফে সভাপতি জানিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক আমাদের ফুটবলার পার্টনার। স্পন্সর এনে জেলা ফুটবল চাঙ্গা করার জন্য কাজী সালাহউদ্দিনরা দ্বারে দ্বারে ঘোরেন। ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূত্র ধরে অর্থ সংগ্রহ করে জেলা বিভাগীয় ফুটবল কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন। অথচ নির্বাচনের সময় ফোরাম নামের সংগঠনটি ভালো মন্দের বিচার করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাফুফের কিছু কর্মকর্তাও তাদের সাথে যোগ দেন। কিন্তু এই সব কর্মকর্তাদের অর্থ সংগ্রহে মাঠে দেখা যায় না।