শীতের দিনে বামদের ‘ঠাণ্ডা’ হরতাল

ঢাকাসহ সারাদেশে হঠাত্ জেঁকে বসা শীতের দিনে বামদের ডাকা পিকেটিং ও সহিংসতাবিহীন ‘ঠান্ডা’ হরতাল পালিত হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার। সিপিবি ও বাসদের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা এই হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়। রাজধানীসহ দেশের কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। এক কথায় এ হরতাল ছিল নিরুত্তাপ। জামায়াতসহ সকল সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে এ হরতাল আহ্বান করা হয়। কয়েকটি ক্ষুদ্র দলের সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা এই হরতালে সমর্থন দেয়। তাদের কর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ছিল বলে জানা গেছে। চট্টগ্রামের তাদের ছাত্রফ্রন্টের দু’জন কর্মীকে পুলিশ আটক করে পরে ছেড়ে দেয়। কোন ধরনের পিকেটিং ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে গতকালের হরতাল কর্মসূচী শেষ হয়। অন্যান্য হরতাল কর্মসূচীর মতো কোনো জ্বালাও পোড়াও ও ভাংচুরের খবর পাওয়া যায়নি। রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ দেখা গেলেও কোথাও কোনো গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। হরতালের প্রথমভাগে সড়কে বাস চলাচল ছিল একেবারেই কম। অন্যান্য হরতালে রাজধানীতে বিআরটিসির বাস রাস্তায় নামলেও গতকালের দৃশ্য ছিল ভিন্ন। বিআরটিসি কোন বাসই চলাচল করেনি। তবে অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অধিকাংশ দোকানপাটও বন্ধ ছিল। সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী বাস থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছাড়েনি। তবে ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল ছিল স্বাভাবিক। এদিকে হরতালে গতকাল বিকালে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম অভিযোগ করেছেন, আশুলিয়া, গাজীপুর, নেত্রকোনা, যশোর, বরগুনা, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হরতালে বাধা দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, মৌলবাদী দল, র্যাব ও পুলিশ। তিনি দাবি করেন, পুলিশ ও র্যাবের হামলায় তাদের ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল ভোর থেকেই ঘন কুয়াশা ও শীত উপেক্ষা করে হরতালের সমর্থনে সিপিবি ও বাসদ কর্মীরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল করে সড়কে অবস্থান নেয়। তাদের হাতে ছিল জাতীয় ও দলীয় পতাকা ,আর কণ্ঠে ছিল মুক্তিযুদ্ধের গান। তবে নগরীতে হরতালের বিপক্ষে আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কোনো মিছিল-সমাবেশও দেখা যায়নি। হরতাল সমর্থকরা গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ না করায় পুলিশের সঙ্গে কোথাও সংঘর্ষ বাধেনি। তবে পল্টন, শাহবাগসহ যেসব এলাকায় হরতালকারীদের তত্পরতা বেশি ছিল, সেসব এলাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায় পুলিশ কর্মকর্তাদের। বাস না পেয়ে হেঁটে অফিসে যেতে দেখা যায় অনেককেই। অন্য হরতালের মতো জ্বালাও-পোড়াও না থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেন পথচারীরা। হরতালের আগের দিন সোমবার পুরানা পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমদ অহিংস হরতালের আহবান জানান। গতকাল সকাল ৬টার দিকে পুরানা পল্টন সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং তোপখানা রোড বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দু’টি মিছিল বের হয়। প্রায় একই সময় বামদের একটি মিছিল পল্টন, দৈনিক বাংলা, প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে। প্রগতিশীল ছাত্রজোট কর্মীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদী গান, সমাবেশ ও খন্ড খন্ড মিছিল করে। সকাল ১০টায় বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কর্মীরা পল্টন মোড়ে রাস্তার ওপর অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়ে পথনাটক, আবৃত্তি ও গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। তাদের সঙ্গে ছিল গিটার ও ব্যান্ড। তাদের নাচ-গান দেখতে ভিড় জমান ওই পথে চলাচলকারী সাধারণ জনতা। পল্টন থেকে প্রেসক্লাব হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত গোটার এলাকা ছিল সিপিবি ও বাসদ কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে। পুরান ঢাকা ও মিরপুর এলাকাতেও হরতালের সমর্থনে মিছিল বের হয় । এদিকে পুলিশ সকাল থেকেই প্রেসক্লাব, বাংলা মোটর ও রূপসীবাংলা মোড়ে যানবাহন চালকদের বিকল্প সড়ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়। এসব সড়ক দিয়ে যানবাহন যাতে শাহবাগ ও পল্টন এলাকায় যেতে না পারে, সেজন্য প্রতিবন্ধকতা বসায় পুলিশ। ভোর থেকেই রাজধানী প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল, আরামবাগ, ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা, গুলিস্তান পুরান ঢাকা, সদরঘাট, পল্টন, প্রেসক্লাব, শাহবাগ, বাংলামোটর, কাকরাইল, শান্তিনগর এলাকায় কিছু রিকশা ও মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য কোন যানবাহন দেখা যায়নি। একই অবস্থা ছিল নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি আসাদগেট, শ্যামলী ও কল্যাণপুর। তবে কারওয়ান বাজার, মগবাজার, মালিবাগ, রামপুরা, খিলগাঁও এলাকায় বেশকিছু এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম যানবাহন চলাচল করেছে। গাজীপুরে ভাংচুর, অধিকাংশ কারখানায় ছুটি ঘোষণা গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, সকাল থেকেই হরতাল সমর্থকরা চান্দনা চৌরাস্তাসহ জেলার বিভিন্ন মহাসড়কে মিছিল-সমাবেশ করে। যেসব কারখানার শ্রমিকরা হরতাল সমর্থকদের আহ্বানে সাড়া দেয়নি মিছিলকারীরা সেসব কারখানায় ইটপাটকেল ছুঁড়ে কাঁচ ভাংচুর করে। মিছিলকারীরা মালেকের বাড়ি এলাকার ইন্ট্রামেক্স সোয়েটার, বড়বাড়ি এলাকার রূপা গার্মেন্টস, ইউনিক ফ্যাশন, ভোগড়া এলাকার ইন্টার লিংক এপারেলস, ইন্টারপ্যাক প্রিন্টিং কারখানা, ক্রাউন ফ্যাশন, ভিয়েলাটেক্সসহ বেশ কয়েকটি কারখানার গেইট ও জানালার কাঁচ ভাংচুর করে। এসময় আতংকে কয়েকটি গার্মেন্টসে ছুটি ঘোষণা করা হয়। পরে জেলা সদরের অধিকাংশ গার্মেন্টস কারখানায় কর্তৃপক্ষ ছুটি ঘোষণা করে। এরপর মিছিলকারীরা ঢাকা-টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করে। এদিকে বিভাগীয় শহরসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে শান্তিপূর্ণ ও সর্বাত্মক হরতাল পালনের খবর পাঠিয়েছেন ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা। নারায়ণগঞ্জ: কোন প্রকার পিকেটিং ছাড়াই জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে কঠোর পুলিশি পাহারার মধ্যেই মিছিল, সমাবেশ করেছে সিপিবি, বাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী ট্রেন শহরের ২নং রেল গেট এলাকায় আটকে দেয় হরতালকারীরা। এসময় তারা প্রায় ১৫ মিনিট ট্রেনটি আটকে রেখে বিক্ষোভ করে। এছাড়া শহরের গ্রীন্ডলেজ ব্যাংক মোড়, ২নং রেল গেট ও ১নং রেল গেট এলাকায় বিকাল পর্যন্ত সড়কে রিকশা পর্যন্ত চলাচল করতে দেয়নি তারা। শহরের ২নং রেলগেট এলাকায় হরতালের সমর্থনে সভা করছে বাসদ, সিপিবি ও বাম মোর্চা। খুলনা: কোন ধরনের সহিংসতা ছাড়াই হরতাল শেষ হয়েছে। হরতাল চলাকালে নগরীর অধিকাংশ দোকানপাট, ব্যাংক-বীমার প্রধান ফটক বন্ধ ছিলো। দূরপাল্লার কোন যানবাহন চলাচল না করলেও বেলা বাড়ার সাথে রিকশা, ইজিবাইক, বেবিটেক্সি চলাচল করেছে স্বাভাবিকভাবে। সকাল থেকে হরতালের সমর্থনে বাম দলের নেতারা নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে খন্ড খন্ড মিছিল করেন। দুপুরে নগরীর প্রাণকেন্দ্র পিকচার প্যালেস মোড়ে হরতালের সমর্থনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সিপিবির জেলা সম্পাদক এসএ রশিদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন গণতান্ত্রিক বাম মোর্চার মনিরুল হক বাচ্চু, বাসদের জেলা সমন্বয়ক জনার্দন দত্ত নান্টু, সিপিবির এইচএম শাহাদাত প্রমুখ। সিলেট: তেমন কোন পিকেটিং না থাকলেও সিলেটে হরতাল পালিত হয়েছে। সকাল থেকে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে হরতাল আহ্বানকারীরা উত্সবের আমেজে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করে এলাকা সরগরম করে রাখেন। অনেক স্থানে হরতাল আহ্বানকারীরা রিক্সা ভাংচুর না করে থামিয়ে রিক্সাচালককে হরতাল করার কারণ বুঝিয়ে বলেন। দোকানপাট বন্ধ ছিল। তবে বেলা বাড়ার পর কিছু কিছু হালকা যানবাহন চলাচল করেছে। অনেকেই এ হরতালকে ব্যতিক্রম বলে উল্লেখ করেছেন। বিকালে কোর্ট পয়েন্টে সিপিবির জেলা আহ্বায়ক এডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উজ্জল রায়, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। রাজশাহী: হরতালে সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে ভোরেই বিপুলসংখ্যক পুলিশ রাজশাহী মহানগরী জুড়ে কঠোর অবস্থান নেয়। কিন্তু বিকাল পর্যন্ত কোথাও অপ্রীতিকর ঘটনার কোন খবর পাওয়া যায়নি। সকাল ৯টায় কর্মদিবস শুরু হলেও সরকারি অফিসে উপস্থিতি ছিল কম। ব্যাংক খোলা থাকলেও অনেক শাখায় লেনদেন হয়নি। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছিল অঘোষিত ছুটি। নগরীতে দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। দূরপাল্লার ও আন্তঃজেলা বাসকোচ চলেনি। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত সিপিবি ও বাসদের নেতৃবৃন্দ নগরীর সাহেব বাজার এলাকায় হরতালের সমর্থনে খণ্ডখণ্ড মিছিল এবং বেলা ১২টায় সমাবেশ করেন। এতে কমরেড এনামুল হক ও আবুল কালাম আজাদসহ সিপিবি, বাসদ ও বামমোর্চাভুক্ত দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। জেলার উপজেলাগুলো থেকেও শান্তিপূর্ণ ও ঢিলেঢালা হরতাল পালনের খবর পাওয়া গেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় : এদিকে সকাল ৭টার দিকে হরতালের সমর্থনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রগতিশীল ছাত্রজোট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কাজলা থেকে মিছিল নিয়ে মেইনগেট ও বিনোদপুর বাজার প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই পথে তালাইমারীস্থ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্মৃতিস্তম্ভের নিকট গিয়ে সমাবেশ করেছে। হরতালে রাবি প্রশাসন ও বিভিন্ন বিভাগ খোলা থাকলেও ক্লাস ও পরীক্ষা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চলেনি। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। তবে স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম চলেছে। বগুড়া : জেলায় শান্তিপূর্ণ হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে বাসদ, সিপিবি ও বামমোর্চার নেতাকর্মীরা শহর ও শহরতলীর বেশ কয়েকটি স্থানে পিকেটিং ও মিছিল করে। দুপুরে শহরের সাতমাথা চত্বরে সমবেত হয়ে তারা গণসঙ্গীত ও দেশের গানের আসর জমান। সকাল থেকেই বগুড়া হতে দূরপাল্লার কোন পরিবহন ছেড়ে যায়নি। শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিলো। ব্যাংক-বীমা, অফিস-আদালত খোলা থাকলেও লোক সমাগম না থাকায় তেমন কাজকর্ম হয়নি। শহরে কিছু রিক্সা-ভ্যান চলাচল করতে দেখা গেছে, তবে ট্রেন চলাচল ছিল স্বাভাবিক। এ সময় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি নেতা হাফিজ আহমেদ, বাসদ নেতা অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পল্টু প্রমুখ। মৌলভীবাজার :হরতাল চলাকালে মৌলভীবাজারে পুলিশ সিপিবির এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। হরতালের সমর্থনে সকাল থেকে চৌমুহনা ও পশ্চিমবাজার এলাকায় খণ্ডখণ্ড মিছিল বের করা হয়। গ্রেফতারকৃত সিপিবি কর্মীকে মিছিলকারীরা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে; তবে পুলিশি তত্পরতায় তা সফল হয়নি । গোপালগঞ্জ: হরতালে অফিস আদালত, ব্যাংক বীমা খোলা ছিল। কাজ-কর্ম চলেছে স্বাভাবিক। আভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল করলেও দূরপাল্লার যানবাহন ছেড়ে যায়নি। হরতালের সমর্থনে জেলা সিপিবি গোপালগঞ্জে মিছিল ও সমাবেশ করেছে। সমাবেশে সিপিবির নেতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবু হোসেন, পংকজ কুমার পান্ডে প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) : কোন রকম সহিংস ও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই উপজেলায় স্বত:স্ফূর্তভাবে হরতাল পালিত হয়েছে। সকাল থেকে সিপিবি, যুব ইউনিয়ন ও ছাত্র ইউনিয়ন এর কর্মীরা হরতালের পক্ষে খণ্ডখণ্ড মিছিল করে। দুপুরে উপজেলার নাজিরপুর মোড়ে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. দিবালোক সিংহসহ অন্যরা। বরগুনা (উত্তর): শান্তিপূর্ণ পরিবেশে হরতাল পালিত হয়েছে। হরতাল চলাকালীন শহরে খণ্ডখণ্ড মিছিল হয়েছে। এসময় যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা গোলাম আযমের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় । পটিয়া (চট্টগ্রাম): উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হরতালের সমর্থনে মিছিল সমাবেশ হয়েছে। এসময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন সিপিবিসহ বামদলের নেতাকর্মীরা।