শেরপুর চেম্বারের নির্বাচন কাল

আগামীকাল শেরপুরে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন। এ নির্বাচনকে ঘিরে জেলা শহরের প্রধান প্রধান মোড় ও দেয়ালগুলো ছেয়ে গেছে প্রার্থীদের ব্যানার ও পোস্টারে। আর প্রার্থীরা ইতিমধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নির্বাচনী মাঠে। নির্বাচনী বৈতরণী পেরুতে মূল্যবান ভোটের প্রত্যাশায় তীব্র শীত উপেক্ষা করেও তারা এখন ছুটে ফিরছেন ভোটারদের বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। ভোটারদের মধ্যে যখন যেখানে যাকেই পাওয়া যাচ্ছে সেখানে পৌঁছেই তারা ভোট আদায়ে নানা কৌশলসহ কুশলাদি বিনিময় করছেন। সব মিলিয়ে শহরে উত্সবমুখর পরিবেশ আর প্রার্থীদের তত্পরতায় এখন চেম্বারের নির্বাচন সকলের মুখে মুখে। জানা গেছে, নির্বাচনে প্রথম পর্যায়ে ৩টি ক্যাটাগরিতে (ব্যবসায়ী গ্রুপে ২টি, সহযোগী গ্রুপে ৫টি ও সাধারণ গ্রুপে ১২টি) মোট ১৯ সদস্য পদে ২টি প্যানেলে ৩৮জন ও স্বতন্ত্র ২জনসহ মোট ৪০জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ২টি প্যানেলের নেতৃত্বেই রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দুই নেতা। তাদের একজন হচ্ছেন চেম্বারের বিদায়ী সভাপতি, সাবেক পৌর মেয়র, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন এবং অপরজন হচ্ছেন চেম্বারের বিদায়ী সিনিয়র সহ-সভাপতি, আওয়ামী লীগ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ অদু। অদুর প্যানেলে ব্যবসায়ী গ্রুপে শাহজাহান আলী চাষী ও হায়দর আলী আকন্দ, সহযোগী গ্রুপে কালীদাস কারুয়া, গৌতম সাহা মনা, চাঁন মিয়া জোদ্দার, তাপস কুমার সাহা ও সৈয়দা সারমিন রহমান, সাধারণ গ্রুপে আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ অদু, আক্রাম হোসেন, আজিজুর রহমান, এস.এম. আবু সাঈদ শামীম, আরিফ হোসেন, এনামুল হক, জাকির হোসেন মোল্লা, আলহাজ্ব জয়নাল আবেদিন, তৌহিদুর রহমান পাপ্পু, এস.এম. বদরুদ্দোজা সোহেল, বশিরুল ইসলাম সেলু ও সাইদুর রহমান দোলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে লিটনের প্যানেলে ব্যবসায়ী গ্রুপে গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন ও প্রকাশ দত্ত, সহযোগী গ্রুপে মো. আঙ্গুর মিয়া, কানু চন্দ্র চন্দ, খুরশীদ আলম মিঠু, চন্দন কুমার সাহা ও রাজন সরকার রাজু, সাধারণ গ্রুপে অজয় কুমার চক্রবর্তী জয়, আসাদুজ্জামান রৌশন, উজ্জলুর রহমান, হাসান মোহাম্মদ কিবরিয়া পিপন, নজরুল ইসলাম, মনির উদ্দিন আহমেদ, মলয় কুমার চাকী, মহিউদ্দিন আহম্মেদ মামুন, লুত্ফর রহমান নতুন, সিদ্দিকুর রহমান, সুশান্ত কুমার সাহা ও আলহাজ্ব হায়দর আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই ২টি প্যানেলের বাইরে সহযোগী গ্রুপে শামীম আহমেদ ও সাধারণ গ্রুপে বাবুল আহমেদ নামে ২জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এছাড়া এ নির্বাচনে প্রথম এবং একমাত্র মহিলা প্রার্থী হিসেবে সৈয়দা সারমিন রহমান আলোচনায় রয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নারায়ণ চন্দ্র হোড় জানান, ২১ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে ৩টি ক্যাটাগরিতে ১৯ সদস্য পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে ২৩ ডিসেম্বর কর্মকর্তা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাত্ নির্বাচিত ১৯ সদস্যের ভোটে একজন সভাপতি, একজন সিনিয়র সহ-সভাপতি ও একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হবেন।