সংশোধনীর পক্ষে অবস্থান নিল বিসিবি

মাত্র আগের দিনই সাবেক বিসিবি সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী দাবি করেছেন, সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বিসিবির পরিষ্কার বক্তব্য থাকা উচিত। ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হতে না হতেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হল, এই সংশোধনী বিষয়ে তাদের অবস্থান। গঠনতন্ত্রের সর্বশেষ এই সংশোধনীকে বিসিবি আধুনিক ক্রীড়া প্রশাসন চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ও সবধরনের প্রয়োজন মেটানোর জন্য মানানসই বলে দাবি করা হয়েছে। গত বেশ কিছুদিন ধরে চলমান ঘটনার ধারাবাহিকতায় এবার বিসিবির পক্ষ থেকেই উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে মত দেয়া হল! বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠনের কয়েকদিনের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ দীর্ঘদিনের অপেক্ষায় থাকা গঠনতন্ত্র সংশোধনী পাঠায় বিসিবিতে। এই সংশোধনীতে আরো বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্যে সবচেয়ে সাড়া তৈরি করে বিসিবির কাউন্সিলরশিপের বিষয়টি। এখানে বলা হয়, প্রিমিয়ার লিগের সুপার লিগ খেলা ৬টি দল নির্বাচনে দু’টি করে কাউন্সিলরশিপ পাবে। আর এই ধারা নিয়েই আপত্তি তোলে ফোরাম বা জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো। তাদের পক্ষ থেকে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক পরিষদের সভাপতি ইউসুফ জামিল বাবু এবং সাবেক বিসিবি পরিচালক মোবাশ্বির হোসেন উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন। এরপর উচ্চ আদালত এনএসসির কাছে এই সংশোধনী কেন অবৈধ হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। তারপরও চলতে থাকে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন। রুল জারির পরদিনই ক্লাব সমিটি এবং ফোরাম আলাদা আলাদা সংবাদ সম্মেলন করেছে। সর্বশেষ এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে অনেক ফোরামের কণ্ঠেই কণ্ঠ মিলিয়ে সংশোধনীকে অবৈধ ও অনৈতিক বলেছেন সাবেক বিসিবি সভাপতি ও সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী। এবার বিসিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলছে, তারা সংবাদ মাধ্যমের বিভ্রান্তি এড়াতে নিজেদের অবস্থান জানালো। এরপর তারা খুব দ্রুত এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান আরো পরিষ্কার করে বিভ্রান্তি কমাবে দূর করবেন বলে দাবি করেছেন।