দলিল নিবন্ধন ডিজিটাল হলে ভোগান্তি কমবে
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৪৮
আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজড হলে কারও চাকরিচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরং এ পদ্ধতি চালু হলে কাজের পরিধি বাড়বে। ভূমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ভোগান্তির হাত থেকে রক্ষা পাবে জনগণ। গতকাল বুধবার শুরু হওয়া দলিল নিবন্ধন পদ্ধতি আধুনিকায়ন ও ডিজিটালাইজড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গতকাল তেজগাঁওস্থ রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিবন্ধন মহাপরিদর্শক (আইজিআর) আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ঢাকা -১১ আসনের সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান খান কামাল। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম খান, আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ মো. জহিরুল হক, ডাটাসফট সিস্টেমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাহবুব জামান প্রমুখ।
ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য এটি তারই অংশ। এরই অংশ হিসেবে দলিল নিবন্ধনকে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হলো। তাই আজকের দিনটি ভূমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক দিন। মন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটালের কারণে অনেকে আশঙ্কা করছেন, এখান থেকে অনেক লোক চাকরিচ্যুত হবেন। এটি আসলে ভ্রান্ত ধারণা। এখান থেকে কেউ চাকরি হারাবেন না, বরং কাজের পরিধি বাড়বে। একই সঙ্গে আয়ও বাড়বে। তিনি বলেন, ভূমি নিবন্ধন পদ্ধতি ডিজিটাল হলে মানুষের ভোগান্তি কমবে। বর্তমানে ভূমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বেশি মামলা হয়। মামলাজটের কারণে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতি চালু হওয়ার ফলে মামলার জট কমবে।
আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার প্রতিটি ঘরে চাকরি দেয়া। সেক্ষেত্রে যারা এখান থেকে চাকরি যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা ভ্রান্ত ধারণায় আছেন। তিনি বলেন, এখান থেকে চাকরি তো যাবেই না, বরং এখানে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠান শেষে ডিজিটাল করার প্রতিষ্ঠান ডাটাসফট সিস্টেমসের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের চুক্তিপত্র হস্তান্তর হয়।