ফুলেল শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক মাহফুজ উল্লাহ। রাজধানীতে দুই দফা জানাজা শেষে গতকাল রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মাহফুজ উল্লাহকে দাফনের কথা জানিয়েছেন তার বড় ভাই অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।
শনিবার সকালে ব্যাংককের একটি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মাহফুজ উল্লাহ ইন্তেকাল করেন। শনিবার রাতেই তার মরদেহ বিমান যোগে দেশে আনা হয়। রবিবার বাদ জোহর ঢাকার গ্রীন রোড ডরমেরটরি জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর জাতীয় প্রেসক্লাবে মাহফুজ উল্লাহর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় প্রেসক্লাবে জানাজার আগে মাহফুজ উল্লাহর কর্মময় জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন মরহুমের বড় ভাই ড. মাহবুব উল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান এমপি ও রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। দোয়া চেয়ে বক্তব্য দেন মাহফুজ উল্লাহর ছেলে মোস্তফা হাবিব।
জানাজায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ শরিক হন। জানাজার পর মাহফুজ উল্লাহর কফিনে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের ১০ মার্চ নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি টেলিভিশন টকশোতে নিয়মিত অংশ নিতেন।