বাংলাদেশ মিশনে ১৯ কমার্শিয়াল উইং
চলতি অর্থবছরে রফতানি
টার্গেট ২৮ হাজার
মিলিয়ন ডলার
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:২৭
চলতি অর্থ বছরে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ২৮ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে প্রায় ২২ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ১৬টি বাণিজ্যিক উইং এর বিপরীতে বন্টন করা হয়েছে। অপরদিকে রফতানি বাজার সম্প্রসারণসহ বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে কমার্শিয়াল উইং চালু করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদে এবিএম আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়। সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে রফতানি সংক্রান্ত বিষয়ে নেয়া কার্যক্রম কমিটিকে অবহিত করা হয়। এতে বলা হয়, রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, রফতানি বাজার সম্প্রসারণ ও সুসংহত করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
অপরদিকে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়াতে আমদানি সহজ করাসহ বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন সহায়তা দেবে বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলো। ইতিমধ্যে ১৬টি দেশে বাংলাদেশ মিশনে ১৯টি কমার্শিয়াল উইং চালু করা হয়েছে। বৈঠকে আরো জানানো হয়, ২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে মোট রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ২৮ হাজার মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ২১ হাজার ৭৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ১৬টি বাণিজ্যিক উইং এর বিপরীতে বন্টন করা হয়েছে।
বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে জানানো হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে ভোজ্যতেল, চিনি, রসুন প্রভৃতি আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করতে হয়। আর এসব পণ্যের মূল্যের হ্রাস-বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চলতি অর্থ বছরে টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য আমদানির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আটশ কোটি টাকার কাউন্টার গ্যারান্টির নীতিগত সম্মতি পাওয়া গেছে। ফলে এর আওতায় পণ্য সংগ্রহ ও বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বৈঠকের শুরুতেই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘পিপলস এম্পাওয়ারমেন্ট’ এবং ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ক দু’টি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ায় কমিটির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়। কমিটির সভাপতি বৈঠকে সদস্য হিসাবে বাণিজ্য মন্ত্রী জিএম কাদের, বেগম তহুরা আলী এবং রুমানা মাহমুদ অংশগ্রহণ করেন।