সব ব্যাংকে শিক্ষাবৃত্তি চালু করতে হবে :গভর্নর
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১২, ২০:৫১
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ব্যাংক ব্যবসা অন্য দশটা ব্যবসার মতো নয়। মানুষের আস্থার ওপর ব্যাংকিং ব্যবসা নির্ভর করে। মানুষের আমানতের উপর ভর করেই চলে ব্যাংক। তাই ব্যাংককে সামাজিক উন্নয়নে ব্যয় করতে হবে। গভর্নর বলেন, বর্তমানে প্রতিবছর ১০ হাজার শিক্ষার্থী বৃত্তি পাচ্ছেন। ৪৭টি ব্যাংক চাইলে এটি ৫০ হাজার করা সম্ভব। এজন্য সবগুলো ব্যাংকে শিক্ষাবৃত্তি চালু করতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সানমুন নাহার সুমি এবং কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের ইউকাবেতুন নাহার (জেরিন) কে শিক্ষা বৃত্তির টাকা তুলে দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুরের সবজি বিক্রেতা হাসিম উদ্দিন এবং শিরিন আকতারের মেয়ে সুমি ও জেরিন। তারা দুজনই ২০১২ সালের মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যথাক্রমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করেন। সাউথ ইস্ট ব্যাংক এবং ডাচ্ বাংলা ব্যাংক তাদের কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) অংশ হিসেবে এ দুই মেধাবী ছাত্রীর পড়াশোনার খরচ বহনের দায়িত্ব নিয়েছে। ব্যাংক প্রতি মাসে তাদেরকে আড়াই হাজার টাকা করে প্রদান করবে।
এসময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী, বেগম নাজনীন সুলতানা, ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস তাবরেজ, ডিএমডি আবুল কাশেম মো. শিরিন, সাউথ ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মাহবুবুল আলম এবং সুমি- জেরিনের বাবা-মা উপস্থিত ছিলেন। এসকে সুর তার বক্তব্যে বলেন, ব্যাংকগুলোর সিএসআরের আওতায় শিক্ষাবৃত্তি বাড়াতে শিগগিরই চিঠি দেয়া হবে।