গোপালপুরে হাইব্রিড তুলা চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা

মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় তুলা চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা বিদ্যমান। তুলা উন্নয়ন বোর্ড দুই বছর ধরে চাষি পর্যায়ে তুলার আবাদ করে সন্তোষজনক ফলন পেয়েছে। গত মৌসুমে একর প্রতি হাইব্রিড তুলার ফলন ছিল ৩০/৩২ মণ। এবারো ভালো ফলনের আশা করছেন চাষিরা। জানা যায়, তুলা স্পর্শকাতর ফসল। চারা রোপণ, পরিচর্যা ও পাকা বোল সংগ্রহে বিশেষ যত্ন নিতে হয়। সাধারণত উঁচু এবং মাঝারি উঁচু জমির দোআঁশ, বেলে-দোআঁশ বা এঁটেল-দোআঁশ মাটি যেখানে বৃষ্টির পানি দাঁড়ায় না; সেখানে তুলার আবাদ সুবিধাজনক। জুন-জুলাইয়ে জমিতে চারা রোপণ করতে হয়। জানুয়ারিতে তুলার পাকা বোল সংগ্রহ করতে হয়। গোপালপুর উপজেলার সাজনপুর, জামতৈল এবং হাদিরা গ্রামে এবার ১০ একরে হাইব্রিড তুলার আবাদ হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়ায় এবার আবাদ ভালো হয়েছে। গাছে গাছে ঝুলছে পুষ্ট তাজা বোল। পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের উপদ্রবও ছিল কম। বাড়তি সেচ দেয়ার সুবিধা ছিল। তুলার দাম এবার প্রতিমণ ২৫শ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৮শ টাকা করা হয়েছে। ফলে তুলা আবাদ করে চাষিরা সহজেই লাভবান হতে পারবে বলে জানান বোর্ড কর্মকর্তারা। এছাড়া ফসল চাষে বৈচিত্র্য আনার জন্য উঁচু জমিতে তুলার আবাদ হলে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায় বলে জানায় চাষিরা।