রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে বিধি না মেনে ১১ জনকে পদায়নে ক্ষোভ

রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা পদে ১১ জনকে সিনিয়রিটি ও চাকরি বিধিমালা না মেনে পদোন্নতি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে বঞ্চিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা নুরুজ্জামান মুক্তা ও আবুল কালাম আজাদ উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি মো. খুরশিদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত ডিভিশন বেঞ্চ রিটের শুনানি শেষে দুই সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান ও সচিবকে কারণ দর্শাতে এবং তিনমাস ঐসব পদে স্থিতাবস্থার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের শর্তে শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ রুলের জবাব দিয়েছেন। তবে আলোচিত পদোন্নতির ক্ষেত্রে স্থিতাবস্থা বজায় রাখেননি বলে বঞ্চিতরা অভিযোগ করেছেন। ইতোমধ্যে পদোন্নতি প্রাপ্তরা নতুন পদে যোগদান করেছেন। এনিয়ে শিক্ষাবোর্ডের বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বোর্ডের প্রথম শ্রেণীর শূন্যপদ পূরণে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারীদের নিকট থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ৪০ কর্মকর্তা-কর্মচারী আবেদন করেন। ৩০ জুন সচিব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ১১ জনকে পদায়ন করা হয়। বঞ্চিতদের অভিযোগ, পদোন্নতির ক্ষেত্রে সিলেকশন কমিটির মতামতও নেয়া হয়নি। তবে ২২৬তম সভায় উল্লেখিতদের পদায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে শিক্ষাবোর্ডের একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়। এ বিষয়ে শিক্ষাবোর্ডের সচিব অধ্যাপক আব্দুর রউফ মিয়া বলেন, কাউকে পদোন্নতি দেয়া হয়নি। বোর্ডের কাজে গতি সঞ্চার করতে দ্বিতীয় শ্রেণীর ১১ জনকে প্রথম শ্রেণীর চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে। এটি প্রকৃত অর্থে কোন পদোন্নতি নয়। শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান তাঁর ক্ষমতাবলে তাদের চলতি দায়িত্বে পরের পদে ন্যস্ত করেন। এতে সিনিয়রটি লঙ্ঘন হয়নি বলেও দাবি করেন সচিব।