সাপ্তাহিক পুঁজিবাজার
সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০১২, ১৯:২৪
গত সপ্তাহে পুঁজিবাজারে সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইতে ২০২টি কোম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে। আর সূচক বেড়েছে ৮৬ পয়েন্ট। তবে গত সপ্তাহে লেনদেন কমেছে সাত দশমিক চার শতাংশ। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামনে ব্যাংকিং সেক্টরের ক্লোজিংয়ের সময় আসায় এ খাতের দিকে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। তাই গত সপ্তাহে ব্যাংকিং খাতের লেনদেন আগের তুলনায় বেড়েছে।
গত রবিবার বিজয় দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় এ সপ্তাহে ৪ দিন লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দুইদিন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় এবং দুইদিন নিম্নমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইতে গত সপ্তাহে মোট ৮৯২ কোটি ৭৩ লাখ ৩ হাজার ৮১২ টাকা লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ৬৭ কোটি ৫৯ লাখ ৪৮ হাজার ৪৪১ টাকা কম। আগের সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৬০ কোটি ৩২ লাখ ৫২ হাজার ২৫৩ টাকা।
গত সপ্তাহে প্রথম কার্যদিবস রবিবার ডিএসই’র সাধারণ সূচক ছিল ৪ হাজার ৮৮ পয়েন্ট। সপ্তাহশেষে বৃহস্পতিবার সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৭৪ পয়েন্টে। অর্থাত্ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ৮৬ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ১১ শতাংশ। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন কমেছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। গত সপ্তাহের ৪ কার্যদিবসে ডিএসই’র ২৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২০২টির, কমেছে ৬৭টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টির। কোন লেনদেন হয়নি ৭টি প্রতিষ্ঠানের। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৮৪টির, কমেছে ১৮৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১৪টির। কোন লেনদেন হয়নি ৪টি প্রতিষ্ঠানের।
বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, গত কয়েকদিন ধরে বাজার যে অবস্থায় চলছে তাতে স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে লেনদেন এখনও কম হওয়ায় বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। এজন্য বাজারের ব্যাপারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে হবে। আস্থা বাড়ালে বাজারে লেনদেন বাড়তে পারে বলে মনে করেন তারা।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো, ইউনিক হোটেল, ইউনাইটেড এয়ার, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনভয় টেক্সটাইল, জেনারেশন নেক্সট, ইউসিবিএল, বিএসসিসিএল, সামিট পাওয়ার ও আরএন স্পিনিং মিল। দাম বাড়ার ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো সিনথেটিকস, বেক্সিমকো, জিবিবি পাওয়ার, কাশেম ড্রাইসেল, সামিট পাওয়ার, দেশবন্ধু পলিমার, ৭ম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বরকতুল্লাহ ইলেক্ট্রো, পপুলার লাইফ ও ঢাকা ব্যাংক।