বঙ্গবন্ধু সেতুতে জাতির জনকের প্রতিকৃতি নির্মাণে ধীরগতি

মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পরপরই যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সেতুর দু’পাশে জাতির জনকের প্রতিকৃতি নির্মাণের কাজের ধীরগতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সে সময় তিন মাসের মধ্যে অর্থাত্ মার্চে জাতির জনকের প্রতিকৃতি নির্মাণের কাজ শেষ করতে সময়সীমাও বেঁধে দেন। অথচ ১ বছর অতিবাহিত হলেও কাজ শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও বিবিএ। ফলে মন্ত্রীর নির্দেশকে একরকম তোয়াক্কাই করছে না সংশ্লিষ্টরা। ২০১০ সালের জুলাই মাসে বঙ্গবন্ধু সেতুর উভয় পাড়ে জাতির জনকের প্রতিকৃতির মূল কাঠামো তৈরির কাজ পায় বর্তমানে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বে থাকা ইউনাইটেড ডেভেলপমেন্ট কোম্পানী (ইউডিসি)। ৬ মাস মেয়াদের প্রথম পর্যায়ে এ কাজের ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ওই কাজ শেষ করতে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরো ৬৩ লাখ টাকা বাড়ানো হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক প্রকৌশলী জানান, বিপুল টাকা ব্যয়ে সেতুর দু’পাশে জাতির জনকের প্রতিকৃতি নির্মাণের কাজের মান অত্যন্ত নিম্ন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি যে টাইলস দিয়ে বানানো হয়েছে তার মানও ভাল নয়। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী মোঃ খায়রুজ্জামান বলেন, আমি আপনাকে কোন তথ্য দিতে পারবো না। সাংবাদিকদের কোন তথ্য দিতে মানা আছে। আপনি আমাদের সচিবের সাথে যোগাযোগ করেন।