পাকিস্তানের বিপক্ষে টসকে গুরুত্বপূর্ণ মানছেন ধোনি
প্রকাশ : ২৩ ডিসেম্বর ২০১২, ২২:১১
পাকিস্তানের বিপক্ষে বহুল আলোচিত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে ভারতীয় অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি জানান, যেহেতু উভয় দল প্রায় একই মানের তাই এখানে টস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পরে ধোনি বলেন, ‘সিরিজটিতে টস জেতার উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। কারণ এই মৌসুমে শিশির ম্যাচে প্রভাব ফেলে। তাছাড়া শক্তিমত্তার দিক থেকে উভয় দল প্রায় সমমানের। স্পিনারদের মোকাবেলা করার ক্ষেত্রেও দল দুইটি প্রায় একইরকম। আমি মনে করি, দুইটি ম্যাচই বেশ উত্তেজনাকর হবে।’
আগামী ২৫ ডিসেম্বর ব্যাঙ্গালুরুতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে পাকিস্তান তাদের সফর শুরু করবে। ২৮ ডিসেম্বর আহমেদাবাদে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ে প্রথম ওয়ানডে, ৩ জানুয়ারি কলকাতায় দ্বিতীয় ওয়ানডে এবং ৬ জানুয়ারি দিল্লিতে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের গুরুত্ব বিবেচনা করে ধোনি মনে করেন, ভারতের বিপক্ষে সব সিরিজই সমান গুরুত্বপূর্ণ। ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া কিংবা অন্য যেকোনো দলই হোক না কেন, আমরা সব সিরিজকে একইভাবে বিবেচনা করি। সেভাবেই আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজটিকেও বিবেচনা করছি। প্রতিপক্ষ কে সেটা না ভেবে মাঠে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলার চেষ্টা করি। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে চিন্তা করলে তাতে শুধু চাপই বাড়ে। প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন, আমরা সহজ ভাবে নেবার চেষ্টা করি। আমরা শুধু ফর্মেটের দিকে নজর দিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা কাজে লাগাতে চাই।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়াডে সিরিজ শেষ হবার পরপরই ১১ জানুয়ারি থেকে রাজকোটে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু হবে। বড়দিন এবং ইংরেজী নববর্ষ উদযাপন করে সফরকারী ইংল্যান্ড পুনরায় ভারত সফরে আসবে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অন্য ম্যাচগুলো যথাক্রমে ১৫ জানুয়ারি কোচিতে, ১৯ জানুয়ারি রাচিতে, ২৩ জানুয়ারি মোহালিতে এবং ২৭ জানুয়ারি ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হবে। এই সিরিজের পরপরই ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রয়েছে হোম সিরিজ।
ব্যস্ত এই সূচিকে সামনে রেখে ধোনি বলেন, ‘যেকোনো খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেই এত বেশি ক্রিকেট খেলাটা অত্যন্ত কষ্টকর। তার উপর কোনোভাবে ইনজুরিতে পড়লে ছয় থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়। তাই আমি মনে করি, প্রত্যেকেরই নিজেদের ফিটনেসের কথা বিবেচনা করে বিসিসিআইর কাছ থেকে কিছুদিনের বিশ্রাম নেয়া উচিত। তবে আমি এত বেশি সিরিজ খেলা নিয়ে কোনো সময়ই চিন্তিত নই। কারণ আমি ক্রিকেট খেলতে ভালবাসি। হয়তবা ভবিষ্যতে আমাদের খেলার সংখ্যাও কমে আসবে। তবে কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার গুরুত্বই আলাদা। আমি কখনোই বেশি ম্যাচ খেলা নিয়ে চিন্তিত নই। —বাসস