আধুনিক শ্যূটিং কমপ্লেক্সের উদ্বোধন হলো দুই বছর পর

ঢাকায় ২০১০ সালে ১১তম এসএ গেমস উপলক্ষে যেসব ক্রীড়া স্থাপনা সংস্কার, নির্মাণ এবং আধুনিকায়ন করা হয়েছিল সেগুলো গেমসের পর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সাথে সম্প্রসারণ এবং আধুনিকায়নের কাজ হলেও গুলশানস্থ জাতীয় শ্যূটিং কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করা বাকি থেকে গিয়েছিল। সেখানে এসএ গেমস শ্যূটিং অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত অনেক টুর্নামেন্ট হয়ে গেছে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয়নি। গতকাল প্রায় দুই বছর পর সেই আনুষ্ঠানিকতা শেষ করল ফেডারেশনের নতুন কমিটি। গতকাল বিকালে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নকৃত গুলশান শ্যূটিং কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল, ক্রীড়া সচিব নূর মোহাম্মদ ও শ্যূটিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মমিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। প্রায় সাড়ে এগার কোটি টাকা ব্যয়ে সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নকৃত গুলশান শ্যূটিং কমপ্লেক্সের মধ্যে ২৫ মিটার শ্যূটিং রেঞ্জ এবং ১০ মিটির শ্যূটিং রেঞ্জ আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ মিটার রেঞ্জটির একাংশ আধুনিকায়ন করার হয়। এছাড়াও জিমন্যাসিয়াম ভবন, ৫০০ কেভিএ সাব-স্টেশন, ডরমেটরী ভবনের ২৫মিঃ শ্যূটিং রেঞ্জের উপর স্টীল প্রি-ফেব্রিকেটেড সেড জিমন্যাসিয়াম মালামাল, ৫০মি, ২৫মিঃ ও ১০মিঃ শ্যূটিং রেঞ্জে শ্যূটিং আসবাবপত্র সরবরাহ ও স্থাপন এবং গ্যালারির সংস্কার ও মেরামত কাজ করা হয়েছিল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার বলেন, সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় ইতোমধ্যেই দেশের ক্রীড়া অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৩৫টি জেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ ও ৪৭৬টি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল পুরাতন জেলা স্টেডিয়ামকে সংস্কার ও আধুনিকায়ন করার কর্মসূচীও হাতে নেয়া হয়েছে। আধুনিকায়নকৃত গুলশান শ্যূটিং কমপ্লেক্স উদ্বোধনের পর আজ থেকে সেখানে খেলা শুরু হবে। পঞ্চম এয়ারগান শ্যূটিং চ্যাম্পিয়নশীপ বিকাল তিনটায় উদ্বোধন হবে। ৪০ ক্লাব অংশগ্রহণ করবে। খেলা শেষ ২৬ ডিসেম্বর। নবীন এবং সিনিয়র শ্যূটাররা অংশগ্রহণ করবেন।