আমি নিয়মিত ক্লাশ করছি

আমার ভালো ফলাফলে মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। স্কুল, বাসার সব পড়া মা দেখতেন । কোথাও কোন সমস্যা হলে মা বুজিয়ে দিতেন। ছয়টি বিষয়ই আমাকে ভালো করতে হবে তাই সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রত্যেকটি বিষয়ই পড়তাম এবং লিখতাম। বানান ভুলের প্রতিও আমার নজর ছিল। বাবাও আমার পড়াশোনার প্রতি যত্নশীল ছিলেন। তিনি যখন বাসায় ফিরতেন আমাকে নিয়ে পড়ার টেবিলে বসে যেতেন। বাবা-মা দুজনে মিলে স্কুলের পড়ার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাসার জন্য একটা রুটিন করে দেন। আর সেই রুটিন অনুযায়ি প্রতিদিনের পড়াগুলো দেখতেন তাঁরা। সকাল-দুপুর-বিকাল-সন্ধ্যা-রাত সময়কে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে খেলাধূলা ,গল্প,হাসি ,আনন্দ, পড়াশোনা সবই আমি করতে পারতাম। আমার স্কুলের সবাই আমাকে আদর করতেন। আমি নিয়মিত স্কুলে যেতাম। স্কুলে আমি মনোযোগ দিয়ে স্যারের কথা শুনতাম। বিভিন্ন সময় স্যার মডেল টেস্ট নিতেন। মডেল পরীক্ষা দিতে আমার খুব ভালো লাগত। বেশি বেশি মডেল পরীক্ষার কারণে সমাপনী পরীক্ষা ভালো হল। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বৃত্তি পেতে হলে লেখার প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পাঠ্যবই খুবই ভালোভাবে পড়তে হবে। আমি মনে করি একজন শিক্ষার্থী যদি নিয়মিত ক্লাশগুলো করে সে ভালো রেজাল্ট করতে পারবে। সেই সাথে যদি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক হন, দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে আর শিক্ষার্থীদের পরনির্ভরশীল হতে হয় না। আমি চিরকৃতজ্ঞ আমার মা বাবা ও শিক্ষকদের কাছে। আমি খুব খুশি মা-বাবা সহ সবাই খুশি। আপাতত ভালো করে পড়াশোনা করাই আমার লক্ষ্য।