হজসনের দৃষ্টিতে বিশ্বকাপ
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৬
২০১৪ সালের ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপের শিরোপা জয় ইংল্যান্ডের জন্য অসম্ভব কিছু নয় বলেই মনে করেন ইংলিশ কোচ রয় হজসন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘হয়তবা আমরা ফেবারিট নই, কিন্তু ফুটবলে ‘অসম্ভব’ বলে কিছুই নেই।’
এই বছরের ১ মে চার বছরের চুক্তিতে ইংল্যান্ড দলে যোগ দেন হজসন। চ্যাম্পিয়নস লিগে চেলসির শিরোপা প্রাপ্তির বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে টেনে তিনি বলেন ফুটবল কতটা অনিশ্চয়তার খেলা। হজসন বলেন, ‘ফুটবলে এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলোকে হয়ত খালি চোখে অসম্ভব বলেই মনে হবে। কিন্তু সেগুলোও কিন্তু অনেক সময় সম্ভব হয়ে যায়। ইউরোপে সেরা দল হিসেবে কেউই চেলসির কথা মনে করেনি। বিশেষ করে মৌসুমের মাঝামাঝিতে যখন তাদের কোচ পরিবর্তিত হয় তখন বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখের মত ইউরোপ সেরা ক্লাবগুলোকে হারিয়ে তারা ঠিকই সেটা করে দেখায়। সে কারণেই আমি স্বপ্ন ধরে রাখতে চাই।’
চলতি বছর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ইংল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছালেও পেনাল্টিতে ইতালির কাছে হেরে বিদায় নেয়। ১৯৯৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার পরে বড় কোন টুর্নামেন্টে শেষ আটে উঠতে পারেনি ইংলিশরা। আর তাই ১৯৬৬ সালের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ী দলটির সামনে এখন দ্বিতীয়বারের মত বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিরোপা প্রাপ্তি অনেকটা সময়ের দাবি হয়ে গেছে। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে চার ম্যাচ পরে ‘গ্রুপ এইচ’ এ তারা এখন মন্টেনেগ্রোর পিছনে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আগামী বছর আরো ছয়টি ম্যাচ বাকি রয়েছে।
হজসন জানিয়েছেন তরুণদের প্রতিভা বিচারে তিনি ভবিষ্যতের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী। বর্তমানে প্রতিভাবানদের ভিড়ে প্রতিযোগিতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে যা ইংল্যান্ডের ফুটবলের ভবিষ্যতের অত্যন্ত ইতিবাচক একটি দিক। তবে এখানে মূল সমস্য হলো সঠিক সময়ে যোগ্য খেলোয়াড়দের পাওয়া নিয়ে সংশয় থেকেই যায়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রিমিয়ার লিগে বিদেশি খেলোয়াড়দের আধিক্যের কারণে তরুণ ইংলিশ খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও তিনি মনে করেন। কিন্তু বর্তমান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রমাণ করেছে দেশীয় খেলোয়াড়দের প্রতিভা আছে এবং তাদের নিয়েও এগিয়ে যাওয়া যায়। - বাসস