ভালো দামে খুশি কৃষক

নীলফামারীর ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষ

চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার অধিক জমিতে আলু চাষ হয়। দাম ভাল পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা এবার খুশি। এখনও স্থানীয় বাজারে দেশি জাতের লাল পাকরি আলু ২৫ টাকা এবং গ্রানুলা জাতের আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে দেশি আলু বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর গোটা জেলায় ১৮ হাজার ৯৯৪ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ২১ হাজার হেক্টর জমিতে। নীলফামারী সদরের আলু চাষি আবুল কালাম জানান, চলতি বছর আলু বিক্রি করে বিগত বছরের লোকসান পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, চলতি বছর আলুর দাম ১৫/১৬ টাকার নিচে নামার কোন সম্ভাবনা নেই। তার মতে, স্থানীয় কোল্ড স্টোরেজগুলো খালি থাকায়, কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা এবার আগেভাগেই আলু সংগ্রহের জন্য মাঠ পর্যায়ে দালাল নিয়োগ করেছেন। কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা ক্ষেত থেকে আলু সংগ্রহের জন্য আগাম অর্থ পরিশোধ ছাড়াও নিজস্ব পরিবহনের ব্যবস্থা করছেন। আলু আবাদে নীলফামারী জেলার সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এলাকা কিশোরীগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া গ্রামের কৃষকরা জানায়, এখানকার উত্পাদিত আগাম আলু ঢাকার কাওরান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে উঠলেও এ জেলায় আলু সংরক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা বরাবরই লোকসানের মুখে পড়ে।