কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘিরে সিলেট আওয়ামী লীগ চাঙ্গা

দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিলকে সামনে রেখে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে সিলেট আওয়ামী লীগ। নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্সাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নতুন কমিটিতে সিলেট অঞ্চলের কারা বাদ পড়ছেন, কারা স্থান করে নিচ্ছেন- এনিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেতে সিলেটের বেশ ক’জন শীর্ষ নেতা কেন্দ্রে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্মেলনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে সিলেটে দলের একাধিক বর্ধিত সভা হয়েছে। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় অর্থমন্ত্রী ও দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবুল মাল আব্দুল মুহিত সম্মেলনকে সফল করতে সিলেটের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিলেট অঞ্চলের কারা গুরুত্বপূর্ণ পদ পাচ্ছেন সেটা নিয়েই এখন বেশি জল্পনা-কল্পনা হচ্ছে। কারা বাদ পড়েন সেটাও দেখার বিষয়। বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের প্রভাবশালী নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর রয়েছেন আলোচনার কেন্দ্রে। ওয়ান ইলেভেনে এই দুই নেতা সংস্কারপন্থি হওয়ায় বিগত সম্মেলনে তারা উপেক্ষিত হয়েছিলেন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত প্রেসিডিয়াম সদস্য থেকে বাদ পড়ে উপদেষ্টা পরিষদে জায়াগা পেলেও সুলতান মনসুরের জায়গা হয়নি কোথায়ও। এ কারণে বৃহত্তর সিলেটে সুলতান মনসুরের অনুসারী বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী হতাশ হন। ক্ষোভে-দুঃখে অনেকে রাজনীতিতেও নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। আসন্ন সম্মেলনে সাবেক এই ছাত্রনেতাকে আবার যথাযথ মূল্যায়ন করা হতে পারে এমন আশায় বুক বাঁধছেন তার অনুসারীরা। আসন্ন কাউন্সিলে সুলতান মনসুরকে ফের দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তও আবার প্রেসিডিয়ামে ফিরতে পারেন বলে সিলেটে জোর আলোচনা হচ্ছে। সিলেটের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানও এবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এদিকে বর্তমান কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ স্বপদে থাকছেন না বলে গুঞ্জন উঠেছে।