শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয়
ককাসের যাত্রা শুরু
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৪
শিশু অধিকার রক্ষা, সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ ও কার্যক্রম পর্যালোচনা, বাস্তবায়ন, সংসদে ও সংসদের বাইরে শিশুদের প্রয়োজনীয় বিষয় উত্থাপনসহ শিশুদের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাস। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব:) শওকত আলী এমপি এই শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু এমপি, সেভ দ্য চিল্ড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর কাজী গিয়াসউদ্দিন, সিএসআইডি’র চেয়ারপার্সন নাজমা শামস্। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সদস্য বেনজীর আহমেদ, অধ্যাপিকা জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার, বেবী মওদুদ, সাধনা হালদার, রওশন জাহান সাথী, শেফালি মমতাজ, নূরে হাসনা লিলি চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদের মহাসচিব আব্দুস সালাম পিন্টু, বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের জাতীয় সংগঠন সুইড বাংলাদেশের পরিচালক নুরুল ইসলাম প্রমুখ।
আসমা জেরিন ঝুমু এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিশু অধিকার বিষয়ক সংসদীয় ককাসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগের শিক্ষক কাজী মারুফুল ইসলাম। তিনি বলেন, শিশুদের অধিকারের জন্য সংসদ ও সংসদের বাইরে দুই জায়গাতেই এ ককাস কাজ করতে পারবে। এটিই বড় সুবিধা।
আব্দুল মতিন খসরু বলেন, শিশু অধিকার মানে জাতীয় অধিকার, মানবাধিকার। শিশুরা জাতির ভিত্তি। শিশুর বিকাশের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টিতে শিশু অধিকার বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস বহুমুখী ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে অনেক সময় আমলাতান্ত্রিক জটিলতার জন্য সব কিছু করা সম্ভব হয় না। আমলারা প্রত্যেকটি কাজে বাধা সৃষ্টি করেন। তারা এর মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা বুঝাতে চান। ক্ষমতার পূজা করেন তারা। ক্ষমতায় থাকলে চেনে, না থাকলে চেনে না।
শওকত আলী বলেন, শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য একাধিক ককাস বা সংসদীয় মোর্চা গঠন না করে এটি ককাস গঠন করতে হবে। তাহলে শিশুদের অধিকার আদায়ে সঠিক পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হবে। তিনি বলেন, শিশুদের অধিকার সংরক্ষণে বহুমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। তবে সব কিছুর আগে জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপর সবাইকে জোর দিতে হবে। অনুষ্ঠানের আয়োজকরা জানান, আগামী মাসেই এ সংসদীয় ককাসের সদস্যদের নিয়ে একটি বৈঠক হবে। সেখানেই ককাসের কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে। অনুষ্ঠান সঞ্চালক ছিলেন সুইড-এর মহাসচিব জওহারুল ইসলাম মামুন।