মুন্সীগঞ্জে বিএনপিতে কোন্দল
এক নেতাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৬
মুন্সীগঞ্জে বিএনপির কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে। আওয়ামী লীগের সম্মেলনে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়ে বিপাকে পড়েছেন এক নেতা। রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা সত্ত্বেও এই ভালো কাজের ফল হিসাবে তাঁকে বিএনপি থেকে অবাঞ্ছিত করে দলের একাংশ। দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান কুট্টির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় মঙ্গলবার দুপুরে সিরাজদিখান বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ধীরনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। এই নিয়ে দলটির দু’পক্ষের মধ্যে বিরাজ করছে উত্তেজনা।
স্বেচ্ছাসেবক ও যুবদলের কমিটি নিয়ে অভিযোগ
এদিকে একই দিন মঙ্গলবার লৌহজং বিএনপির কার্যালয়ে বসে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সিনহা অনিয়মতান্ত্রিকভাবে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কিমিটি ঘোষণা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ এই কমিটি গঠনের বিষয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা শুভ আহম্মেদ কিছুই জানেন না। তিনি অভিযোগ করেন ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হলে তিনি (সিনহা) ঘোষণা করেছেন ১১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। যেখানে যুগ্ম সম্পাদক ৩ জনের স্থলে ১৩ ও সহসভাপতি ৫ জনের স্থলে ১৪ জন এবং উপজেলা কমিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পাদক না থাকলে সেই পদ করা হয়েছে। এই কমিটি নিয়ে নানা হাস্য রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে সেখানে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বলও ঘটনাটি অবগত নন উল্লেখ করে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
এদিকে টঙ্গীবাড়ি উপজেলার আব্দুল্লাপুর ইউপি যুব দলের কমিটি গঠন করা হয়েছে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। যুবদলের কোন কাউন্সিলর না রেখে বিএনপির ১৭ নেতার নামে ভোটার লিস্ট করে ভোট দিয়ে মো. সেলিম হোসেনকে সভাপতি ও মো. মোশারফ হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে । সেখানকার যুবদল ও বিএনপি নেতারা লিখিতভাবে অভিযোগ করে বলেছেন, বিএনপি নেতা নুরুন নবী বাবু ও আবুল জাফর দেওয়ান নিজ স্বার্থে পকেট কমিটি করেছে। সভাপতি প্রার্থী ওবায়দুর রহমান জানান, দলের এমন অগণতান্ত্রিক পরিবেশ কখনও দেখিনি। উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল আলিম জানান, রবিবার রাতে করা এই কমিটি গঠনের কোন রকম নিয়মনীতি মানা হয়নি। এসব ব্যাপারে মিজানুর রহমান সিন্হার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।