ধামইরহাটে টপ সয়েল বিক্রি
হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি
জমির উর্বরাশক্তি
ধামইরহাট (নওগাঁ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:৫৬
নওগাঁর ধামইরহাটের শল্পী এলাকায় আবাদি জমি ও ফসলের মাঠ থেকে টপ সয়েল কেটে নেয়া হচ্ছে। এতে কৃষক অধিক উত্পাদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকার শত শত একর আবাদযোগ্য জমির টপ সয়েল ইট ভাটার মালিকেরা স্বল্প দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। এতে ফসলি জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে উত্পাদনমুখী ফসলের ওপর। প্রতি বছর জমির উপরিভাগের মাটি কেটে নেয়ায় জমি আপেক্ষাকৃত নিচু হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় আবাদ অযোগ্য হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে মূল উর্বরাশক্তি বাড়তে থাকে। কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার কারণে জমিতে বিদ্যমান উর্বরতা হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। টপ সয়েলের নিচের অংশে চাষাবাদ করলেও প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও আবার উর্বর করতে ৫ থেকে ৭ বছর সময় লাগে। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফসলি জমিগুলোর মাটি বিক্রি শুরু হয়। উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরাশক্তি থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য দেড়-দুই ফুট গভীরে গিয়ে ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে মাটির উর্বরাশক্তি তো থাকবেই না মাটিকে একেবারে ধ্বংস করা হবে।