মোরেলগঞ্জে সবজি চাষে বিপ্ল¬ব
দাম পাচ্ছে না চাষি, সুবিধা নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০১২, ২১:১৪
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সবজি চাষে সবুজ বিপ্লব ঘটলেও প্রকৃত চাষিরা সুবিধা পাচ্ছে না। সবজির বাজার চড়া হলেও সুবিধা নিয়ে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী। চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শীতের সবজি আর সবুজের সমারোহ। উপজেলার বাজারগুলো এখন শীতের শাক-সবজিতে ঠাসা। আবার কোন কোন এলাকায় সবজি চাষ শুরু করে এখন চলছে পরিচর্যার কাজ। পৌষের শেষদিকে এসব সবজি বাজারে উঠবে। কুয়াশা আর শীতের মাঝে ক্ষেতে গিয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবজি পরিচর্যায় শ্রম দিচ্ছেন চাষিরা। মোরেলগঞ্জ উপজেলার খাউলিয়া, নিশানবাড়ীয়া, দৈবজ্ঞহাটী, রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নে বেশি সবজি উত্পাদিত হয়। তবে সবজি বিক্রিতে ন্যায্য দাম পায় না চাষিরা। সবজির বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা। এবারে বাজারে শীতকালীন শাক-সবজি প্রচুর উঠলেও দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, পাইকারি বাজারে দালাল ও ফড়িয়া না থাকলে চাষিরাও লাভবান হতো। আর খুচরা বিক্রেতারা কমদামে কিনতে পারতো। মোরেলগঞ্জ কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী ইমাম হোসেন জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে। তাছাড়া লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
গতবারের তুলনায় এবারে মোরেলগঞ্জে সবজির দাম বেশি। চাষিরা জানান, সবজি চাষে যে খরচ ও পরিশ্রম হয় সেই তুলনায় লাভের অংশ ঘরে আসে না। কখনো কখনো তো লোকসান দিয়ে সবজি বিক্রি করে ফিরতে হয়। সবজির বাজার মূলত মধ্যস্বত্বভোগীরা নিয়ন্ত্রণ করে। সবজির পরিমাণ বেশি দেখলে দালালরা চারদিক ঘিরে ধরে। মধ্যস্বত্বভোগীদের না দমাতে পারলে সারা বছরই তাদের কাছে জিম্মি থেকে শাক-সবজি বিক্রি করতে হবে চাষিদের।