শুভ-মার্শালের দাপটে দ্বিতীয় দিনটি মধ্যাঞ্চলের

ঢাকার মাঠে ১৫টি সেঞ্চুরি রয়েছে তার। অথচ কাল ব্যাটিং করতে দেখে মনে হল, এই কাজটা ভুলেই গেছেন দেশের একসময়ের সেরা ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল। ‘ভুলে যাওয়া’ ব্যাটিং নিয়ে ১০টি মাত্র রান করে আশরাফুল ফিরে গেলেন। তারপরও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের প্রথম রাউন্ডে দ্বিতীয় দিনশেষে ঢাকায় সুবিধাজনক অবস্থায় ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল। দক্ষিণাঞ্চলের ৩৪৩ রানের জবাবে মধ্যাঞ্চলের রান এখন পর্যন্ত ৩ উইকেটে ২১০। সেটি সম্ভব হয়েছে শামছুর রহমান শুভ ও মার্শাল আইয়ুবের কারণে। শুভর ৮৪ রান ও মার্শালের দিনশেষে অপরাজিত ৬৫ রান দলকে টেনে এনেছে এখানে। প্রথম ইনিংসের তুলনায় মধ্যাঞ্চল অবশ্য এখনো ১৩৩ রানে পিছিয়ে আছে। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে প্রায় দুই ঘন্টা দেরী করে খেলা শুরু হয়েছে। দিনের শেষ ভাগেও আলো স্বল্পতার কারণে খেলা হয়নি আরো আধাঘন্টা। সবমিলিয়ে কাল ৫৬ ওভার খেলা হয়নি। তবুও ৪১.৪ ওভারে মধ্যাঞ্চল ২১০ রান তুলেছে গড়ে প্রায় পাঁচের উপরে রানরেট ছিল। লাঞ্চের পর দুপুর সোয়া একটায় খেলা যখন শুরু হয়, তখনো মাঠের চারপাশ কুয়াশায় আচ্ছন্ন ছিল। আসিফ আহমেদ রাতুল ও শুভ ওপেনিংটা ভালো করার চেষ্টা করেছেন বটে, কিন্তু রাতুল বেশিদূর যেতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করেই ফিরে গেছেন রবিউল ইসলামের বলে। আর শুরু থেকে লড়াই করা আশরাফুলের বিদায়ের পর মধ্যাঞ্চলের হাল ধরেছেন দুই তরুণ শুভ ও মার্শাল। সে ফ দুর্ভাগ্য না হলে শুভ কাল সেঞ্চুরি পেয়েই যেতেন। চমত্কার যে কাভার ড্রাইভে ছক্কাগুলো মেরেছেন, সেগুলো দেখে ঈর্ষা করতে পারেন বড় ব্যাটসম্যানরাও। ১৫৩ মিনিটের ইনিংসে চারটি ছক্কা মেরেছেন। ৬৭ বলে ফিফটি করা শুভ গাজীর বল ডিফেন্স করতে গিয়ে উইকেট কিপারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। দিনের শেষ সেশনে শুভকে হারালেও মার্শালের সাথে অধিনায়ক রিয়াদ দিনটি নিরাপদেই পার করে দেন। ১০৪ মিনিট ব্যাট করে ৬৫ রানে মার্শালও শুভ’র মত বড় ইনিংসের পথে হাঁটছেন। রিয়াদ ২০ রানে অপরাজিত। সংক্ষিপ্ত স্কোর প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চল প্রথম ইনিংস- ৩৪৩/১০ (জিয়া অপ: ১৫২, কায়েস ৪২)। ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল প্রথম ইনিংস- ২১০/৩ (শুভ ৮৪, মার্শাল ব্যাটিং ৬৫, রিয়াদ ব্যাটিং ২০, গাজী ২/৫৯)।