হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
হাজীগঞ্জে ১৫৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টি বিদ্যালয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় নিয়মিত চলছে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। বেশকিছু বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করার উপযুক্ত হলেও জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ দেখিয়ে বড় ধরনের সংস্কার বা মেরামত বাবদ অর্থ-বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়।
জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিদ্যালয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, বিদ্যালয়গুলোর পলেস্তারা খসে পড়াসহ ভবনের দেয়াল, পিলার ও বিমে ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেক বিদ্যালয়ে পিলার ও বিম থেকে ইট-সুরকির ঢালাই খসে পড়ে ভেতরের রড দেখা যাচ্ছে। আবার ভারী বৃষ্টিপাত হলে অনেক বিদ্যালয়ের ছাদ চুয়ে পানি পড়ে। এতে প্রতিনিয়তই হতাহত হওয়ার আশঙ্কায় থাকতে হচ্ছে ৫৭টি বিদ্যালয়ের প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও শিক্ষকরা জানান, নির্দিষ্ট সময়ে ভবনগুলোর ভালোভাবে মেরামত করলে এতটা জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হতো না। তা ছাড়া এমন ঝুঁকিপূর্ণ হলেও কর্তৃপক্ষ এখনো পরিত্যক্ত ঘোষণা করেননি। এতে যে কোনো সময় হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বুলবুল সরকার জানান, জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। তালিকায় বিদ্যালয় প্রতি বড় ধরনের মেরামত/ সংস্কার বাবদ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মধ্যম মেরামত/সংস্কার বাবদ ৩ লাখ টাকার চাহিদাপত্র প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তার কার্যালয়েও একই তথ্য দেওয়া আছে। বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে।