ভালুকায় বেহাল সড়ক শিল্প স্থাপনে স্থবিরতা

শিল্পনগরী সড়কসমূহে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। শতাধিক শিল্প কারখানার আমদানী রপ্তানি কাজ বিঘ্নিত হওয়ায় দেশের অর্থনীতিতেও পড়ছে বিরুপ প্রভাব। এতে স্থবির হয়ে পরেছে ২ শতাধিক শিল্পকারখানা স্থাপন। কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কয়েক লক্ষ বেকার। অথচ সরকার এ অঞ্চলের শিল্পখাত থেকে বছরে পাচ্ছে কোটি-কোটি টাকার রাজস্ব। সম্ভাবনাময় শিল্প অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার কাংখিত উন্নয়ন না হওয়ার মূল কারন হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সদিচ্ছাকে দায়ী করেছেন সচেতন মহল। উল্লেখ্য ভালুকার হবিরবাড়ী ও ভরাডোবায় গড়ে উঠেছে ৩শতাধিক শিল্প কারখানা। আর এ নগরীতে বসবাস করছে প্রায় ৪লক্ষ মানুষ। আরও উল্লেখ্য বিশাল এ জনগোষ্ঠীর চলাচলনির্ভর প্রায় ২শত কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মাত্র ২৯.৯৭ কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হয়। বাকি প্রায় ১৭০ কিলোমিটার কাচা রাস্তা স্থানীয় শিল্প মালিকদের সহযোগিতায় এলাকাবাসী ইটের খোয়া ফেলে চলাচল উপযোগী করে তুলেছেন। ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের সিডেষ্টার বাজার থেকে জালপাজা, মাষ্টারবাড়ীর জামিরদিয়া থেকে কাশর, মনহরপুর, ডুবালিয়া পাড়ার সংযোগ সড়কগুলোতে দীর্ঘ দিনেও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এতে এ উপজেলায় প্রস্তাবিত আরও ২শতাধিক শিল্পস্থাপনের কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে ৫লক্ষাধিক বেকার জনগৌষ্ঠীর কর্মসংস্থানের পথ রুদ্ধ হয়ে আছে। শিল্পঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পর্কে ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ীস্থ সুপ্তি সোয়েটার লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শহিদুল ইসলামর জানান, সরকার এ অঞ্চলের শিল্পখাত থেকে যে বিশাল অংকের রাজস্ব নিচ্ছে তার সামান্যতমও শিল্পাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ দিলে স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মানে। উন্নয়নসহ ব্যাপক হারে বেকার জনগৌষ্ঠীর কর্মসংস্থানের পথ সম্প্রসারিত হতো। ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফোরামের মহাসচিব, মোহাম্মদ মোর্েশদ আলম জানান, হবিরবাড়ীর অবহেলিত জনপদের মানুষের দুর্দশা ও দুর্ভোগের বিষয়টি নিরসনে স্থানীয় সাংসদ ও রাজনীতিকমহল সহ সংস্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছেনা। ভালুকা উপজেলা প্রকৌশলী ভাস্কর চীেধুরী জানান, প্রয়োজনীয় অর্থবরাদ্দ না থাকায় শিল্প এলাকার রাস্তাগুলোর উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছেনা বরাদ্দ পেলে রাস্তার উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা হবে ।