বাউফলের চরে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ

বাউফলের কয়েকটি চরে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের টোকেন বাণিজ্যের কারণে প্রকৃত গরিব চাষিরা তাদের কষ্টার্জিত উত্পাদিত আমন ফসল গোলায় তুলতে পারছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । চরগুলো হচ্ছে চরমমিনপুর, চরবাসুদেবপাশা, চরপাকডাল, চর অমরখালী, চরমিয়াজান, চরব্যারেট, চর ওয়াডেল। ওই সমস্ত চরে রয়েছে সরকারের শত শত একর খাস জমি, যা প্রতি বছর এলাকার গরিব চাষিরা সরকারের কাছ থেকে একসনা লিজ নিয়ে চাষাবাদ করে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সমস্ত খাস জমি আবাদ মৌসুমে লিজ দেয়ার বিধান থাকলেও রহস্যজনক কারণে ভূমি অফিস লিজ দেয় ধান কাটার মৌসুমে। ফলে ওই সময় ক্ষমতাশীন দলের একশ্রেণীর নেতাকর্মী সিন্ডিকেট তৈরি করে ভূমি অফিসের সাথে যোগসাজশে খাস জমিতে বিরোধ আছে অজুহাত দেখিয়ে লিজ দেয়ার দায়িত্ব তাদের হাতে নিয়ে নেয়। ফলে প্রকৃত চাষি যারা জমি আবাদ করেছে এবং ফসল উত্পাদন করেছে তারা লিজ পায় না বলে চাষিদের অভিযোগ। কারণ এক একর জমির জন্য সরকারকে দিতে হয় ৫০০ টাকা আর সিন্ডিকেটরা একরে নেয় ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা করে। ফলে প্রকৃত গরিব চাষি সে ওই পরিমাণ টাকা দিয়ে লিজ নিতে পারে না। এমনকি তারা আবাদ করার বর্গাভাগও পায় না। যারা ্ওই পরিমাণ টাকা সিন্ডিকেটের হাতে দিতে পারে তাদের ধান কাটার জন্য টোকেন (স্লিপ) দেয়া হয়। বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও (দায়িত্বপ্রাপ্ত) উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এবিএম সাদিকুর রহমান বলেন, এরকম কোন অভিযোগ তিনি পাননি। তবে কৃষকরা অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।