নতুন কলেবরে বাংলাপিডিয়া

বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করে। ১০ খণ্ডের সেই সংস্করণে মোট ভুক্তি সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬০০টি। বাংলাপিডিয়ার সম্পাদক ইতিহাসবিদ ও গবেষক ড. সিরাজুল ইসলাম। ১ হাজার ৩৫০ জন এই উদ্যোগে যুক্ত ছিলেন। এর মধ্যে ১১২ জন বিদেশি গবেষক রয়েছেন। প্রথম সংস্করণ প্রকাশ হওয়ার পর বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির গবেষক, লেখক ও সম্পাদকরা পরিমার্জিতভাবে বাংলাপিডিয়ায় আরো নতুন তথ্য সংযোজন করার কথা চিন্তা করছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে বাংলাপিডিয়ার দ্বিতীয় সংস্করণের কাজ শুরু হয়। সফলভাবে ১৪ খণ্ডে বাংলাপিডিয়ার পরিমার্জিত ও বর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ এ বছর প্রকাশ হয়েছে। এই সংস্করণেরও সম্পাদক ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এনসাইক্লোপিডিয়ার মূল শক্তি — এখানে এক সঙ্গে সব ধরনের তথ্য উপস্থাপন করা হয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এমন নিজস্ব তথ্য ভাণ্ডার বা জ্ঞানকোষ রয়েছে। বাংলাপিডিয়া প্রকাশের পূর্বে এমন জ্ঞানকোষ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়াতে ছিল না। এই কাজের ভেতর দিয়ে সেই যাত্রা শুরু হলো। বাংলাপিডিয়ার দ্বিতীয় সংস্করণের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তিনি বলেন, বিভিন্ন বিষয়ের তথ্যকে সমৃদ্ধ করা, ভাষা বিন্যাস ও ভুল সংশোধন এবারের সংস্করণের গুরুত্বপূর্ণ দিক। মূলত এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এবারের সংস্করণে মোট ভুক্তি সংখ্যা ৬ হাজার ৭৭০টি। বাংলাপিডিয়ার ওয়েব ঠিকানা: www.banglapedia.org। ১৪ খণ্ডে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই এখন বাংলাপিডিয়া পাওয়া যাচ্ছে। নতুন সংস্করণের ডিভিডি এই মাসেই মাসে পাওয়া যাবে।