প্রসঙ্গ: ক্লাব কাউন্সিলরশিপ

দ্বিধায় আছে বিসিবিও!

ক্লাবগুলোর কাউন্সিলরশিপ নিয়ে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলো যে দাবি তুলেছিল, দৃশ্যত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সে দাবির সাথে অনেকটাই সহমত পোষণ করছে! সংশোধিত গঠনতন্ত্রে চারটি সংশোধন করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি সংশোধনের জন্য বিসিবি ইতোমধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) কাছে ধন্যবাদের চিঠিও দিয়েছে। শুধু প্রিমিয়ার ক্রিকেটের ছয়টি ক্লাবের দুটি করে কাউন্সিলরশিপ বিষয়টির ব্যাপারে বিসিবি কোন মতামত দেয়নি। কাল স্থানীয় এক হোটেলে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বললেন, ‘বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্রে যে চারটি সংশোধন করা হয়েছে আমরা তিনটি সংশোধনের জন্য এনএসসিকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। তিনটি সংশোধনের মধ্যে খেলোয়াড়দের কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের পরিবর্তে সভাপতি কাউন্সিলরশিপ নির্বাচন করার এখতিয়ার এবং সভাপতি পদে নির্বাচন’। তবে বাকি সংশোধনীটি, মানে ক্লাবগুলোর কাউন্সিলরশিপ বাড়ানোর ব্যাপারে তারা পুরোপুরি একমত নন বলেই ইঙ্গিত পাওয়া গেল তার কথায়। এই কাউন্সিলরশিপ বাড়ানোয় ইতিমধ্যে আদালতে গেছে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলোর সংগঠন বা ফোরাম। চারিদিক থেকে দাবি আসছে, এনএসসির এই সংশোধনের ব্যাপারে বিসিবির পরিষ্কার অবস্থান জানানোর। কিন্তু সুপার লিগের ক্লাবগুলোর কাউন্সিলরশিপ দ্বিগুণ করে দেওয়ার ব্যাপারে বিসিবির ভূমিকা নীরব। পাপন বলেন, ‘ক্লাবগুলো দফায় দফায় মন্ত্রণালয়ে গিয়েছে। তাদের দাবি তারা তুলেছে। প্রথম বিভাগে ২০টি, দ্বিতীয় বিভাগে ২০টি কাউন্সিলরশিপ ইতোমধ্যে রয়েছে। প্রিমিয়ার ক্রিকেটে বারোটি করায় ক্লাব ক্রিকেটে মোট ৫২টি কাউন্সিলর রয়েছে। যেখানে জেলাগুলো রয়েছে ৭১টি কাউন্সিলর। সে তুলনায় ক্লাবগুলো পিছিয়ে আছে। তবে সামগ্রিকভাবে বিষয়টি আমরা নিজেদের মধ্যে বিবেচনা করছি’। বিসিবির সংশোধিত গঠনতন্ত্র নিয়ে সমালোচনা হয়েছে অনেক। বিশেষ করে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কাছ থেকে ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেটি সভাপতিকে দেয়া হয়েছে। এ নিয়েও কাল বোর্ড সভাপতিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তবে বিসিবি সভাপতি পরিষ্কার করে কাল বলেছেন, ‘বিসিবির এডহক কমিটি বোর্ডের গঠনতন্ত্রের কোন সংশোধন করেনি। বরং আগের কমিটি এটা করে গেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য রয়েছে, বিসিবিকে পেশাদারিত্বে নিয়ে আসা। বিসিবির কর্মকান্ডকে ডকুমেন্টারিতে নিয়ে আসা’।