শাল্লায় কুশিয়ারার ভাঙ্গনে ৬শ’ বসতভিটা বিলীন

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গনে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের প্রায় ৬শ’পরিবারের বসত বাড়ি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনরোধে সরকারিভাবে এ পর্যন্ত কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে যদি ভাঙ্গন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে কিছুদিনের মধ্যে এ তিনটি গ্রামের কোন অস্তিত্ব থাকবে না বলে গ্রামবাসীর ধারণা। বাহারা ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান রবিন্দ্র বাবু জানান, ১৯৮০ সাল থেকে কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। দু’দফা স্থান পরিবর্তন করেও কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন থেকে এ তিনটি গ্রামের বাড়িঘর রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। এ তিনটি গ্রামের জনগণ মূলত কৃষির উপর নির্ভরশীল। নদী ভাঙ্গনে বাড়িঘর হারিয়ে তারা এখন ভূমিহীনে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী কুশিয়ারা নদীর ভাঙ্গন কবলিত তিনটি গ্রাম পরিদর্শন করে ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেছেন।