সফল পেশাদার হতে এসিসিএ
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৩, ২০:৩৭
ড. আনিসুর রহমান খান
চেয়ারম্যান, চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ
সবাই চায় উচ্চ মানের পেশাদার হতে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানসহ বিজনেস খাতে অ্যাকাউন্টিংয়ে দিন দিন চাকরির বাজার প্রসারিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে বিপুল সংখ্যক অ্যাকাউন্টিংয়ে দক্ষ লোকের চাহিদা রয়েছে এবং ক্রমে তা বেড়েই চলেছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে জনবল সেভাবে পাওয়া যাচ্ছে না, তাই ক্যারিয়ার গড়ে তোলার এখন আদর্শ সময় মনে করে নতুন প্রজন্ম ঝুঁকছে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ক চাকরির দিকে। বিশ্বজুড়ে গ্রহণযোগ্য এই প্রফেশনাল বিষয় পরিচালনা করেছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজ। এটি উচ্চ আয়ের পেশাজীবি হবার সাথে গ্লোবাল প্রফেশনালদের কাতারে আসতে অন্যতম কোর্স, যার মধ্যে রয়েছে দ্য অ্যাসেসিয়েশন অব চার্টার্ড সার্টিফায়েড অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসিসিএ), সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি), ফাউন্ডেশন ইন অ্যাকাউন্টেন্সি (এফআইএ)। এর মধ্যে এসিসিএ একমাত্র কোর্স, যা যেকোনো পর্যায়ে ইংল্যান্ডসহ ১৭৩ টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায়। সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান (সিএটি)ও প্রফেশনাল কোর্স। এসিসিএ কোর্সটি সিপিএ, সিএ, সিএমএ প্রভৃতির সমমানের। এটি জাতিসংঘ স্বীকৃত এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এর সদস্য। ৮১৯১৬৬২, ০১৭৩৩০২৭৫২১৫ নম্বরে ফোন করে এই কোর্স এবং সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
সিএটি হচ্ছে অ্যাকাউন্টিং কোয়ালিফিকেশন যেখানে অ্যাকাউন্টিংয়ের বেসিক থেকে শেখানো হয়। এটি করার পর দ্রুত এসিসিএ কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়। অন্যদিকে এইচএসসি বা ও লেভেল শেষে এফআইএ-তে ভর্তি হয়ে সিএটি সম্পন্ন করতে পারে। আবার এ-লেভেল বা যেকোনো বিভাগ থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি করা থাকলে সরাসরি এসিসিএ ক্লাসে ভর্তি হওয়া যায়। তবে কারো অনার্স, মাস্টার্স, সিএ, আইসিএমএ কোয়ালিফিকেশন থাকলে ৯টি বিষয় পর্যন্ত অব্যহতি পেতে পারে। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ডিগ্রির বিকল্প হিসেবে শিক্ষার্থীরা সাধারণত এটি সম্পন্ন করে থাকে। এসিসিএ কোর্সটি সিএ, আইসিএমএ, সিআইএমএ, সিপিএ প্রভৃতির সমমানের। সিএ এবং এসিসিএ’র মধ্যে মূল পার্থক্য হলো—সিএ স্থানীয় কারিকুলাম আর এসিসিএ হচ্ছে ব্রিটিশ কারিকুলাম। এফআইএ হচ্ছে এসিসিএ’র ফাউন্ডেশন কোর্স। এর ৭টি পেপার এবং এসিসিএ’র প্রথম তিনটি পেপারের পরীক্ষা বছরের যেকোনো সময় দেওয়া যায় এবং রেজিস্ট্রেশন করা যায় যেকোনো সময়। এফআইএ, সিএটি কোর্স শেষ করতে সাধারণত সময় লাগে এক থেকে দেড় বছর এবং এসিসিএ করতে সময় লাগে সাধারণত দুই/তিন বছর। এসিসিএ-তে একসাথে একটি থেকে চারটি বিষয়ের উপর পরীক্ষা দেওয়া যায়। কোনো শিক্ষার্থী চার বিষয়ের মধ্যে এক বিষয় ফেল করলে ওই একটি বিষয়ে পরীক্ষা দিলেই হবে।
চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজে সিবিই পরীক্ষা দেওয়া যাবে কম ফিতে। এক্ষেত্রে এই কলেজে এফএ১, এফএ২, এমএ১, এমএ২ পরীক্ষার ফি পাঁচ হাজার টাকা এবং এফ১, এফ২, এফ৩ পরীক্ষার ফি ছয় হাজার টাকা নেওয়া হয়। বাংলাদেশে এই কোর্সে সর্বাধিক শিক্ষার্থী এবং সাফল্য রয়েছে চার্টার্ড ইউনিভার্সিটি কলেজের। এসিসিএ কর্তৃপক্ষ গোল্ড স্ট্যাটাস অ্যাপ্রুভাল দিয়েছে এই কলেজকে। এখানে নিজস্ব সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষার প্র্যাকটিস করানোর ফলে শিক্ষার্থীরা ফাইনাল পরীক্ষায় ভালো ফলাফল লাভ করছে। প্রতিষ্ঠানটির পুরো শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়ে আসছে ড. আনিসুর রহমান খানের নেতৃত্বে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে এসিসিএ কোয়ালিফায়েড প্রোগ্রাম ও কোর্স কো-অর্ডিনেটর। যোগাযোগ :বাড়ি-৫১, রোড-১০/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।