দুই দেশের সীমান্তরক্ষী শুধু আত্মরক্ষায় গুলি চালাবে :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র আত্মরক্ষার্থেই তারা গুলি চালাবে। বিএসএফের হাতে সীমান্তে হত্যার ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। কিন্তু যদি তারা আত্মরক্ষার জন্য করে থাকে তা হলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যদি তা না হয় সেক্ষেত্রে এমন ঘটনার আর যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার ব্যবস্থা নেয়া হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষে গতকাল বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তেজগাঁয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সি কিউ কে মুসতাক আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডাক্তার আশরাফুল ইসলাম খান, মাদক নিয়ন্ত্রণের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক আমীর হোসেনসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমি গত মাসে সফরকালে ভারতীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আত্মরক্ষা ছাড়া সীমান্তের কোন বাহিনী কোন দেশের নাগরিককে গুলি করে হত্যা করবে না— এমন সিদ্ধান্ত দুই দেশের সরকারের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে। গত দুইদিনে ঠাকুরগাঁয়ের হরিপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছে চার বাংলাদেশি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের ছিদ্রপথ দিয়ে দেশে মাদকের প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যে মাদকদ্রব্য পাচার হয়ে আসছে তা বন্ধের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাজ করছে। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আজকের পর থেকে দেশের প্রশাসন র্যাব, পুলিশ, কোস্টগার্ড মাদক নিরসনের ব্যপারে অধিক সচেতন হবে বলে আশা করছি। এছাড়া চলতি বছরের মধ্যেই মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ২৫০ শষ্যার পুনর্বাসন কেন্দ্রটি চালু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।