স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর
পরিচালকসহ ৯
জনের বিরুদ্ধে মামলা
প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৩, ২২:৩৭
কাজ না করে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে এক কোটি ৭২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর লাইন ডিরেক্টরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার দুপুরে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক (ডিএডি) খন্দকার নিলুফা জাহান ও মো. আল-আমিন রাজধানীর বনানী থানায় মামলাগুলো করেন।
মামলার আসামিরা হলেন:স্বাস্থ্য শিক্ষাব্যুরোর লাইন ডিরেক্টর আনোয়ার ইসলাম, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনোয়ারা বেগম, হিসাবরক্ষক নজরুল ইসলাম, ৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক (স্বত্বাধিকারী) গণ-উন্নয়ন সংস্থার আব্দুস সাত্তার ভুঁইয়া, নিউ ট্রেডের এসডি রুবেল, ইভেনটাস বাংলাদেশের মিজানুর রহমান বিজয়, সমাহারের এইচএম আনোয়ার, অ্যাডভান্স বিজনেস সেন্টারের সাঈদ জামাল হোসেন এবং আইমেক্স প্লাসের আফতাব আহমেদ।
এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ২০১০ থেকে ২০১১-এর মধ্যে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুরোধ, হূদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ, শিশুদের বাতজ্বর প্রতিরোধ, বিদ্যালয় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও উন্নয়ন বিষয়ক গণসচেতনতাসহ বিভিন্ন প্রচারণার নামে স্বাস্থ্যশিক্ষা ব্যুরোর ৩ কর্মকর্তা এবং ৬টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক পরস্পর যোগসাজসে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে মোট ১ কোটি ৭২ লাখ টাকা আত্মসাত্ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। অনুসন্ধানে দুদক প্রমাণ পায় যে, অভিযুক্তরা কোন কাজ না করে এবং কাজের সপক্ষে কোনও প্রত্যয়নপত্র না দিয়ে ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত্ করেন।