পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আবারও লালমনিরহাট জেলার সীমান্তবর্তী পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বামনদল গ্রাম থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে। এলাকাবাসী ও সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে বুড়িমারী বামনদল গ্রামের নেন্দু মিয়ার ছেলে বুদারু মিয়া (৩৫) সীমান্তের ৮৩৮ নম্বর মেইন পিলারের ২ নম্বর সাব পিলারের নিকট ভারতীয় ব্যবসায়ীর রাখা গরু আনতে যায়। এ সময় জিগাবাড়ী বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দলের বিএসএফ সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। বিজিবি’র বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার জাবিউল ইসলাম জানান, বিএসএফ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে এরকম কোনো খবর তার জানা নেই। ঠাকুরগাঁওয়ে নিহত দুই গরু ব্যবসায়ীর লাশ ফেরত ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার বুজরুক সীমান্তে নিহত ২ বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী মুক্তারুল দাস ও নুরুল ইসলামের লাশ দীর্ঘ ৪০ ঘন্টা পর ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় বুজরুক সীমান্তের ৩৫৯ নম্বর পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফ বিজিবির কাছে লাশ দু’টি হস্তান্তর করে। এ সময় ভারতের ১২১ খুড়কা বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইনসপেক্টর পুলিং সিং, করুনা দীঘি থানার এসআই তরুণ কর্মকার এবং বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল ওহাব, হরিপুর থানার এসআই মফিজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল ওহাব জানান, বিএসএফ’র কাছ থেকে লাশ গ্রহণ করে হরিপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হরিপুর থানার ওসি যতীন্দ্রনাথ শর্মা জানান, ময়নাতদন্ত শেষে আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। উল্লে¬খ্য, গত মঙ্গলবার ভোরে ভারতের বোররা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা বুজরুক সীমান্তে ৩৬১ পিলার এলাকায় গরু ব্যবসায়ী মোক্তারুল দাস ও নুরুল ইসলামকে গুলি করে হত্যা করে। নিহত মুক্তারুল দাস ওই উপজেলার কাদাশুকী গ্রামের অনিল দাসের ছেলে এবং নুরুল ইসলাম একই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।