সীমানা নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষের পথে :সিইসি

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন করতে আইনগত কোনো বাধা ছিল না বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, যে দিন আদালতের স্থগিতাদেশ উঠবে, সে দিনই ডিসিসি নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এছাড়া সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের কাজ প্রায় শেষের পথে বলে জানান তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি একথা জানান। এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমরা ডিসিসি নির্বাচনের সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে তফসিল ঘোষণা করেছিলাম। যাবতীয় কাগজপত্র ছাপিয়ে ছিলাম। প্রার্থীরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিল। এখনো আমরা নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আমরা আদালতের রুলের জবাব দিয়েছি ও নির্বাচন স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছি। মামলার শুনানির জন্য হাইকোর্টে একটি তারিখও নির্ধারিত ছিল। অনেকগুলো মামলার সিডিউলের জন্য ওই তারিখে মামলাটির শুনানি হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের জবাব ও সব কিছু শুনলে আদালত স্থগিতাদেশ তুলে নেবে বলে আশা করি। এরই মধ্যে ঢাকা সিটিসহ সারাদেশে আমাদের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজ শেষ হয়ে গেছে। আদালতের স্থগিতাদেশ শেষ হলেই আমরা আবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো। দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, সীমানা নির্ধারণের যাবতীয় কাজ প্রায় শেষের পথে। যে যে আসনগুলোর সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা প্রয়োজন সেগুলোর সীমানা আমরা পুনর্নির্ধারণ করবো। অন্যদিকে, ঢাকা সিটির আসন সংখ্যা বাড়ছে না কমছে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলে জানান তিনি। প্রবাসী ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ভোটারদের ভোটদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাজী রকিব বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পোস্টাল ব্যালট প্রস্তুত থাকে। নির্বাচনের সময় কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে আবেদন করলেই তাদের কাছে তা পাঠিয়ে দেয়া হবে। ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকল উপজেলাতে ভোটার সংক্রান্ত তথ্যগুলো পাঠানো হয়েছে। সেখানে ভুল সংশোধন করা যাবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। ৩১ জানুয়ারি পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর আগে সকালে চট্টগ্রাম-১২ আসনের উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সিইসি’র সভাপতিত্বে বৈঠকে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করার ব্যাপারে সিইসি বলেন, সেখানে প্রতিটি কেন্দ্রে ২৭ জন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবে।