কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার পুরস্কার বিতরণ

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের ৯৮তম, পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের ১১০তম এবং বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক ড. আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিনের ৮৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার মিলনায়তনে এক পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মেলার পরিচালক খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের সভাপতিত্বে প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। বক্তব্য রাখেন মেলার ট্রাস্টিবোর্ডের সদস্য ডি ডি ঘোষাল এবং শিশু বক্তা নুহা। খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন মা, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালবাসা নিয়ে নতুন প্রজন্মকে বেড়ে উঠতে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে কচি-কাঁচার মেলা যাত্রা শুরু। ১৯৫২ সালে আমরা বাঙালি, আমাদের নিজেদের একটি সংস্কৃতি ও কৃষ্টি আছে তা অনুভব করতে পারি। আমরা তখন যারা শিশু ছিলাম তারা সেই সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে ধারণ করি। বেগম সুফিয়া কামাল দাদা ভাইকে বলেছিলেন তোমরা না থাকলে এই বোধটা হারিয়ে যেতে পারে। তাই এমন কিছু কর যা মা, মাতৃভূমি আর মাতৃভাষাকে ভালবাসার সাথে সাথে নতুন প্রজন্মকে নিজ সংস্কৃতি ও কৃষ্টিকে ধারণ করতে শেখায়। সেখান থেকে আজ অবধি কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা সেই বোধ নিয়ে এগিয়ে চলছে। ডি ডি ঘোষাল বলেন, মেলার অনেক প্রতিকূলতা আছে এই প্রতিকূলতা দূর করতে তিনি সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান। মন্ত্রী এ. এইচ মাহমুদ আলী শিশু-কিশোরদের মা, মাতৃভূমি ও মাতৃভাষার প্রতি ভালবাস শিক্ষা দেয়ার গুরুদায়িত্ব পালন করায় কচি-কাঁচার মেলার সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় ‘ক’ শাখায় প্রথম হয়েছে কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার ফাইজা বিনতে বশির, ‘খ’ শাখায় উম্মে তাসপ্রিয়া এবং ‘গ’ শাখায় প্রথম সৈয়দা কানিতা মাইশা। চিত্রাংকন ‘ক’ শাখায় প্রথম সামারা মজুমদার, ‘খ’ শাখায় আব্দুর রহমান ইবনে সালেহীন, ‘গ’ শাখায় প্রথম রওনক জাহান করবী। বিজ্ঞান বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা ‘ক’ শাখায় প্রথম হয়েছে তারান্না তারাসসুম লিম, ‘খ’ শাখায় কাকলী সূত্রধর । কচি-কাঁচার মেলার শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।