কেপ টাউন টেস্ট

নিউজিল্যান্ডের হার

অভিষেকে ডিন ব্রাউনলির সেঞ্চুরির পরেও কেপটাউন টেস্ট ইনিংস ও ২৭ রানে হারলো নিউজিল্যান্ড। এরফলে দুই টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়লো নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড কাল দ্বিতীয় ইনিংসে ২৭৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। ব্রাউনলি ১০৯ রান করেন। লাঞ্চের চার মিনিট আগে তিনি দ্বিতীয় নতুন বলে আউট হন। কাল সফরকারী নিউজিল্যান্ড লাঞ্চে গেল পাঁচ উইকেট হারিয়ে ২৩২ রান সংগ্রহ করে। তখনো ব্রেন্ডন ম্যাককালাম বাহিনীর ইনিংস হার এড়াতে প্রয়োজন ৭০ রান। অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী এই ব্যাটসম্যান তার সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান প্রোটিয়াস বাঁ-হাতি স্পিনার রবিন পিটারসনের ভিন্ন দুই ওভারের দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সাবেক অধিনায়ক রস টেলরের অভিনন্দন পেয়েছেন তিনি। টেলর এই সফরে আসেননি। মরনে মরকেলের বলে আউট হন ব্রাউনলি। পিটারসন ব্রাউনলির ক্যাচটি লুফে নেন। লাঞ্চের সময় উইকেটরক্ষক বিজে ওয়াটলিং ৩১ এবং জেমস ফ্রাঙ্কলিন শূন্য রানে ছিলেন। ব্রাউনলি ও ওয়াটলিংয়ের পঞ্চম উইকেট জুটি ছিল ৭৪ রানের। এই দুইজন প্রোটিয়াস বোলারদের শৃঙ্খল বোলিংয়ে দারুণ ব্যাটিং করেছেন। ৩০ ওভারে ৬৩ রান তুলে নিতে সক্ষম হয় এই জুটি। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড মাত্র ৪৫ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে আট উইকেটে ৩৪৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। গত বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিন শেষে নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে চার উইকেটে ১৬৯ রান তুলতে সক্ষম হয়। উইকেটে ব্রাউনলি ৬৯ এবং ওয়াটলিং ছিলেন ১০ রানে। টেস্টে ব্রাউনলির আগের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৭। হার না মানা এই ইনিংসটি ছিল ব্রিসবেনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০১১/১২ মৌসুমে। ব্রাউনলির হাফ সেঞ্চুরি এসেছিল মাত্র ৪৪ বলে। আবার দুইবার জীবনও পেয়েছেন। সেঞ্চুরি করলেন ১৬০ বলে ১৩টি চার ও দুটি ছয়ের সৌজন্যে। ব্রাউনলি যখন ৯২ রানে তখন পিটারসনের একটি শর্ট বল ছক্কা হাঁকান মিড উইকেট দিয়ে। পিটারসনের পরের ওভারে ডাউন দ্য উইকেট নেমে গিয়ে স্ট্রেটে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ২৭২ মিনিট ব্যাট করেন তিনি। যখন আউট হলেন তখন খেলে ফেলেছেন ১৮৬ বল এবং সেঞ্চুরির পর বাউন্ডারি পাননি।