আজ স্যামসন এইচ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী
প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:২৮
দেশের খ্যাতিমান শিল্পোদ্যোক্তা ও স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যামসন এইচ চৌধুরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। গত বছর এইদিনে তিনি সিঙ্গাপুরের র্যাফে-লস হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুর আগে দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে স্যামসন এইচ চৌধুরী বাংলাদেশের শিল্প, কৃষি, সেবা ও আর্থিক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রেখেছেন। ১৯৫৮ সালে স্কয়ার ফার্মা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। এরপর তিনি একে একে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। বর্তমানে স্কয়ার শিল্পগোষ্ঠীর ১৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার কর্মী কাজ করছেন। স্যামসন চৌধুরী মেট্রোপলিটন চেম্বার, ওষুধ শিল্প সমিতি এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিক লিস্টেড কোম্পানিজের সভাপতিও ছিলেন। যুক্ত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স বাংলাদেশের সঙ্গে। ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান চেম্বার অব কমার্সের সদস্য। কর্মময় জীবনের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অসংখ্য পুরস্কারে ভূষিত হন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন স্যামসন চৌধুরী। ১৯৮৫ থেকে ৯০ সাল পর্যস্ত ব্যাপ্টিস্ট ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্সের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অব বাংলাদেশের সভাপতি। তিনি বাংলাদেশ বাইবেল সোসাইটির আজীবন সদস্য ছিলেন।
স্যামসন এইচ চৌধুরী ১৯২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ই এইচ চৌধুরী ও মা লতিকা চৌধুরী। তার স্ত্রীর নাম অনিতা চৌধুরী। বর্ণিল কর্মময় জীবনের অধিকারী স্যামসন চৌধুরী তিন ছেলের জনক। তার ছেলে তপন চৌধুরী, অঞ্জন চৌধুরী ও স্বপন চৌধুরী ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এরমধ্যে তপন চৌধুরী ২০০০-০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।