ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের উপজাত উদ্ভাবনে বাকৃবির সাফল্য

ব্ল্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের একমাত্র বিশুদ্ধ জাত যা আমাদের সম্পদ। আকারে ছোট হলেও এ জাতের দ্রুত বংশ বিস্তারের ক্ষমতা, উন্নতমানের মাংস ও চামড়া উত্পাদন ক্ষমতাসহ অধিক রোগ প্রতিরোধক্ষম হওয়ায় সারা বিশ্বে এর কদর অপরিসীম। ব্ল্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের উপজাত উদ্ভাবন করার কাজ প্রায় শেষের দিকে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশু প্রজনন ও কৌলিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল সাধারণত ৩ মাসে ৪ থেকে ৫ কেজি হয়ে থাকে কিন্তু নতুন উদ্ভাবিত ছাগলের উপজাতের ওজন ৩ মাসে হবে ৯ কেজি আর বছরে ২৫ কেজি। সমপ্রতি ঢাকাস্থ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) সম্মেলন কক্ষে “ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের অর্থনৈতিক গুণবিশিষ্ট জিন নির্ণয় ও সাফলতা” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে অধিক উত্পাদনক্ষম ছাগলের নতুন উপজাত উদ্ভাবনের তথ্য জানান উদ্ভাবক ড.ওমর ফারুক। বিএআরসির অর্থায়নে পরিচালিত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত উন্নয়ন প্রকল্পের “ব্ল্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের অর্থনৈতিক গুণবিশিষ্ট জিন নির্ণয় ও সাফলতা” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বাকৃবি রিসার্স সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. মহসিন আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) আশরাফ আলী। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. ওমর ফারুক। এছাড়া কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপ-প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. রুহুল আমিন। কর্মশালায় বাকৃবির পশুপালন অনুষদের শিক্ষক, গবেষক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআর’এর প্রাণী গবেষক এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রাণী গবেষকবৃন্দ এবং ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের নতুন উপজাত লালন-পালন করে লাভবান নাটোর ও বান্দরবান জেলার প্রায় অর্ধশত খামারি উপস্থিত ছিলেন।