গাংনীর ৫০ পরিবার বাড়ি ফিরতে পারছে না
গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:০৮
মামলা ও সাধারণ ডায়েরি নেই তবুও স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মীর বাধা ও পুলিশের উদাসীনতার কারণে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার আমতৈল গ্রামের দুই মুক্তিযোদ্ধাসহ ৫০টি পরিবারের সদস্যরা নিজ গ্রামে ফিরতে পারছে না।
হামলা মামলা অত্যাচারের কারণে বিএনপি নেতা ও ষোলটাকা ইউপি চেয়ারম্যান ছাবদাল হোসেন কালু তার নিজ বাড়িতে ফিরতে পারছে না। মাস ৪ আগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তারের লাশ নিজ গ্রাম আমতৈলে দাফন করতে দেয়নি ঐসব নেতা-কর্মীরা। পরে পার্শ্ববর্তী হেমায়েতপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হত্যাকান্ডের জের ধরে আমতৈল গ্রামের অন্তত ৩শ’ পরিবারের ওপর নির্যাতন, নিপীড়নসহ বাড়ি-ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এতে শঙ্কিত হয়ে ওইসব পরিবারের লোকজন গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। আর ক্ষমতাসীনদের রোষানলের শিকার হয়ে গ্রাম ছাড়া যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা দেলওয়ার হোসেন, ফজর আলী, বদর উদ্দীন, আলমগীর হোসেন, হারেজ আলী, গিয়াস উদ্দীন, খোকন, জালাল উদ্দীন, আলাল হোসেন, শফিউদ্দীন, শাবুদ আলী, তুহিন, মিলন, স্বপন, হামিদুল ইসলাম ও আবুল হোসেন প্রমুখ।
বাড়ি ছাড়ারা বিএনপির সমর্থক হওয়ার কারণে ২ বছরেও নিজ ভূমিতে ফিরতে পারেনি। ছাবদাল হোসেন কালু জানান, অপরাধী যেই হোক তার শাস্তি চায়। কিন্তু প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে প্রতিপক্ষ বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে একের পর এক মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। গ্রামের মানুষকে গ্রাম ছাড়া করে লুটপাট চালানো হচ্ছে। ইউপি নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর আওয়ামী লীগের একটা অংশ এ বর্বর খেলায় মেতে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।