গোবিন্দগঞ্জে শিক্ষক কর্তৃক
ছাত্রীধর্ষণ :এলাকাবাসীর
বিচার দাবি
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০১৩, ২১:১৫
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কামদিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্তৃক এক ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে আবাসিক হোটেলে রেখে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উক্ত শিক্ষককে শোকজ করা হলেও শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী তার বিচার দাবি করে গতকাল শনিবার কামদিয়া বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে।
এলাকাবাসী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক ও পাঁচবিবি উপজেলার পিয়ারাপুর গ্রামের আবু বক্করের পুত্র সিদ্দিক হোসেন (৪০) ১০ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ড করে দেয়ার কথা বলে দিনাজপুর বোর্ড থেকে সাজেশন (গাইড) বই সংগ্রহ করে দেয়ার প্রলোভনে গত ১৯ নভেম্বর তাকে কৌশলে দিনাজপুরে নিয়ে যায় এবং রবিনা আবাসিক হোটেলে রাত্রী যাপনকালে শিক্ষক সিদ্দিক হোসেন তাকে রাতভর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে ঐ ছাত্রী বাড়িতে ফিরে লম্পট শিক্ষকের এ ঘটনা তার পরিবারকে জানালে তার পিতা উপজেলার এনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিকুর রহমান চৌধুরী ও সভাপতি শাহারুল চৌধুরীকে অবগত করে উক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করে। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিচার নিয়ে কালক্ষেপণ ও টালবাহানা শুরু করলে অভিভাবকসহ এলাকাবাসী ফুঁসে ওঠে। বাধ্য হয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদ গত ৪ জানুয়ারি তরিঘড়ি করে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে জরুরি বৈঠকে উক্ত শিক্ষককে শোকজ করে। এতে সন্তুষ্ট না হয়ে লম্পট শিক্ষকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ছাত্র-জনতা ও এলাকাবাসী শনিবার সকালে কামদিয়া বন্দরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিকুর রহমান চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, উক্ত শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে এবং পরে আরো ব্যবস্থা নেয়া হবে।